জনতার মঞ্চ (People's Platform)
জনতার মঞ্চ (People's Platform)
সহায়ক পুস্তকঃ বক্তৃতার চর্চা, পিডিএফ লিংক -
https://drive.google.com/file/d/1qlV2n3KSFIjiwVwPzKOydOmi8-dTf5FC/view?pli=1
নেতা মানে কথা। সংসার থেকে সংসদ সর্বত্রই কথা রাজত্ব।
কথা বলায় জড়তা, সবখানেই ব্যর্থতা।
কথা বলা একটা আর্ট, একটা যাদু; একমাত্র সচেতনভাবে চর্চার মাধ্যমেই এই ম্যাজিক ক্ষমতা অর্জিত হয়। সাফল্যের মূল সূত্র হচ্ছে- ৬০% কাজের সাথে ৪০% কথা চাই। কাজের সমর্থনে কথা না বললে কেউ কাজটিকে গুরুত্ব দেবে না, আপনাকেও না। মুলতঃ মানুষ হলো একটি দোকান। মুখ হচ্ছে তালা। তালা খুললেই বুঝা যায়, এটা কি স্বর্নের দোকান নাকি কয়লার দোকান। কথার শক্তি বিস্ময়কর। সঠিক উপাদান মিশিয়ে কথা বললে যে-কাউকে বশ করা যায়। আর বেঠিক উপাদান প্রয়োগে উল্টো আসামী হতে হয়। তাই আপনার প্রতিভার বিকাশ শুরু হোক, ছোট্ট গল্প, ছড়া-কবিতা, আইডিয়া, কল্পনা, অভিজ্ঞতা, ব্যঙ্গ রসিকতা, রাজনৈতিক ক্ষোভ, সামাজিক দ্রোহ, অর্থনৈতিক বৈষম্য কিংবা আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটসহ বিজ্ঞান, ইতিহাস, স্বাস্থ্য, গবেষণা, পরিবেশ, লাইফ স্টাইল, বুক রিভিও, সিনেমা রিভিও, ব্যক্তিগত বা প্রাতিষ্ঠানিক বিজ্ঞাপন কিংবা পারিবারিক বিষয় জনতার মঞ্চে উপস্থাপন করে নিজেকে ছড়িয়ে দিন দেশে-বিদেশে সবার মাঝে। অংশ নিতে কোনো রকম চার্জ নেই।
নিবন্ধিত হওয়ার জন্য আপনার নাম মোবাইল নাম্বার, লোকেশন এবং কোন বিষয়ে কথা বলতে চান- তা উল্লেখ করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বার 01711323139 or 01710508844-এ এসএমএস করুন। কিংবা সরাসরি নিচের লিংকে ক্লিক করুন-
সরাসরি আবেদন লিংক https://forms.gle/vfWiZETnr2NJoz8d6
আমরা আপনাকে রি-কনফার্ম করে "ভেন্যুর ঠিকানা এবং কনফার্ম নাম্বার" আপনার হোয়াটসঅ্যাপে পাঠাব। আমাদের ভেন্যু দুইটা। প্রথমটা বনানীর আট নম্বর রোডে এবং দ্বিতীয়টা সায়েন্স ল্যাবরেটরী সংলগ্ন গ্রীন রোডে। আপনি শনিবার বিকেল চারটার মধ্যেই আমাদের হল রুমে চলে আসবেন। সবান্ধবে আসতে চাইলে আপনার সঙ্গীকেও নিবন্ধিত হতে হবে। হলে অগ্রিম আসন বুকিং-এর ব্যবস্থা নাই। আগে এসে আসন নিশ্চিত করতে হবে। প্রতি সপ্তাহে এন্টি ছাড়া বা পূর্বের পরিচয়ে ভেন্যুতে প্রবেশ গ্রহণযোগ্য হবে না, প্রতিবারই নতুন করে এন্ট্রি করতে হবে।
হল রুমে তিন ঘন্টা সময়ের মধ্যে সুযোগ পাবে মাত্র ৩৫-৪৫ জন। গুরুত্ব পর্যবেক্ষণ করে কয়েকজনকে দ্বিতীয়বার সুযোগ দেওয়া হবে। ক্যামেরা-এর ব্যবস্থা আছে। আপনার 'অনুমতি সাপেক্ষে' রেকর্ড করা বক্তব্য সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ করা হবে। চা আপ্যায়নের ব্যবস্থা আছে, তবে ভারি নাস্তার জন্য "হলে এসেই কুপন সংগ্রহ করতে হবে"।
নিয়ম: মাইক্রোফোনের নিচের দিকে ধরবেন মুখের থেকে দুই ইঞ্চি দূরত্ব থাকবে. যাতে দূর থেকে মুখ পরিষ্কার দেখা যায়। সিংহের ভঙ্গিতে বুক ফুলিয়ে সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে কিংবা মঞ্চে হেঁটে হেঁটে কথা বলা যাবে। প্রথমে আপনার নাম, কোথা থেকে এসেছেন এবং কি করেন? বা আপনার এক্সট্রা কোনো অর্জন থাকলে তা উল্লেখ করে বলা শুরু করবেন। লিখিত বক্তব্য বা লিখিত গল্প-কবিতা পাঠ করা থেকে বিরত থাকতে হবে। যা বলবেন সরাসরি মাথা থেকে চিন্তা করে বলবেন, কোন কিছু দেখে নয়। আপনার সময় যদি তিন বা পাঁচ মিনিট হয়, তাহলে আপনি এক মিনিট করে সেই সময় (তিন বা পাঁচ বার) নিতে পারবেন; আবার একবারেও শেষ করতে পারবেন। সুতরাং অতি সংক্ষিপ্ত কথা গুছিয়ে মনে মনে তৈরি করে এসে আপনার নিজস্ব স্টাইলে বলবেন। বিস্তারিত নিয়ম কানুন একদম শেষে--যা অবশ্যই পড়তে হবে।
সতর্কতা: জনতার মঞ্চে ধর্ম-বর্ণ, দল-মতের পক্ষে-বিপক্ষে উস্কানিমূলক ও অগ্রহণযোগ্য বক্তব্য প্রদান করা যাবে না। সকল ধরনের আলোচনা ও সমালোচনা হবে সৃজনশীল বা বুদ্ধিদীপ্ত। আমরা সমাজের মেধাবী মানুষগুলোকে পৃথিবীর কাছে তুলে ধরতে চাই।
কারা আসবেন:
যারা মানসিকভাবে প্রবল শক্তিশালী; যারা মনে করেন- ‘বয়স যাই হোক’ আমি ব্ল্যাকহোলে হারিয়ে যাব না, আমার সৃজনশীলতা দিয়ে আমি কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছাবই। “লম্বা দূরত্ব, সীমাহীন ব্যস্ততা, অপর্যাপ্ত সময়সহ যত বাধাই থাকুক, স্কিল ডেভলপমেন্ট করে নিজেকে উন্নত করার এই জেদি ও হার-না-মানা মানুষ যারা, তারা পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে নিজেকে বিকশিত করতে আসুন।
আপনার মনে তৈরি হওয়া কিছু প্রশ্ন ও উত্তর
প্রশ্ন ১ :- কোনো টাকা পয়সা দিতে হবে কিনা?
উত্তর : না, অংশগ্রহণের জন্য কোনরকম চার্জ বা খরচ নেই । এমনকি চা-পানির জন্যও কোন খরচ নেই। কিন্তু যদি আপনি 'টিফিন টাইমে' নাস্তা করতে চান, তাহলে ৩০ টাকা বা ৫০ টাকার টোকেন সংগ্রহ করতে পারেন। কারণ খাবার বাহির থেকে কেনা হয়। সব রিলেশন চলে "গিভ অ্যান্ড টেইক" এর মাধ্যমে অর্থাৎ আপনাকে পেতে হলে কিছু না কিছু দিতে হবে। যেমন- সময়, খরচ , শ্রম ইত্যাদি। যিনি দেন না বা দিতে পারে না, তার নাম ভিখারী। ভিখারী কখনো নেতা হয় না। উন্নত দেশে মেয়েরা যখন মায়ের বাড়িতে বেড়াতে আসে, তখন সঙ্গে করে মায়ের জন্য কিছু নিয়ে আসে এবং মায়ের রান্নাবান্না ও অন্যান্য কাজে সহযোগিতা করে বলেই মা-ও মেয়েকে কিছু বকশিশ দেন।
প্রশ্ন ২ :- কোনো দলে বা সংগঠনে যোগ দিতে হবে কিনা?
উত্তর : না, এই প্লাটফর্ম কোনো ধর্ম, বর্ণ, দল কিংবা মতাদর্শের প্রতিনিধিত্ব করে না। তবে, কোন কিছু অর্জন করতে হলে আপনাকে সাংগঠনিকভাবে ফেস করতে হবে, একাকী নয়। একা মানে বোকা। তাই আপনার নিজের তৈরি কোনো সংগঠন অথবা যেকোনো এক বা একাধিক কমিউনিটির চেইনে আপনাকে যুক্ত থাকতে হবে।
প্রশ্ন ৩ :- আপনার দেয়া বক্তব্য সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ হবে কিনা?
উত্তর : হা, আপনার সম্মতিক্রমে আপনার ভিডিও এডিট করে তা প্রকাশ করা হবে। তবে আপনি ইচ্ছে করলে আমাদের মাধ্যমে বা নিজে নিজে ইউটিউব , ইনস্টাগ্রাম, টিকটক , ফেইসবুক ইত্যাদি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিওটি বোস্ট করতে পারবেন।
প্রশ্ন ৪ :- আউটডোর এক্টিভিটি থাকবে কিনা?
উত্তর : হা, আলোচনা সাপেক্ষে কমিউনিটিতে গৃহিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিভিন্ন আউটডোর এক্টিভিটি থাকবে। যেমন শহীদ মিনারে জনতার মঞ্চ, স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে শাহবাগে জনতার মেলা, হিজল তমালে শীতকালীন বনভোজন , মা দিবস উপলক্ষে জনতার খেলা ইত্যাদি থাকতে পারে। তবে এই আউটডোর এক্টিভিটিতে আপনার যোগ দেওয়া বাধ্যতামূলক নয়।
প্রশ্ন ৫ :- শিক্ষা সফর, গ্রুপ ক্যাম্পিং বা আনন্দ ভ্রমণে ট্রেনিং-এর ব্যবস্থা আছে কিনা?
উত্তর : হা, শনিবারে কার্যক্রম-এর আগে সকালে একটি প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা থাকে এবং কার্যক্রম শেষে সংক্ষিপ্ত পর্যালোচনা বা রিভিউ সেকশন থাকে। পাশাপাশি দুই/তিন মাস পর পর হলিডে ক্যাম্পিং, শিক্ষা সফর ও বা আনন্দ ভ্রমণের ব্যবস্থা করা হয়। এই হলিডে ক্যাম্পিং, শিক্ষা সফর ও আনন্দ ভ্রমণেও গ্রুপ ট্রেনিং করা হয় বিস্তারিত এই লিংকে।
প্রশ্ন ৬ :- কোনো সদস্য তার আওতাধীন এলাকায় জনতার মঞ্চ করতে পারবে কিনা?
উত্তর : হা, যেকোনো সদস্য প্রয়োজনের ভিত্তিতে তার আওতাধীন এলাকায় তার নিজস্ব সংগঠন এর নামে বা জনতার মঞ্চ নামে আয়োজন করতে পারবে্ন। তাকে অবশ্যই আমরা প্রয়োজনীয় সকল সহায়তা দিব এবং সংযোগ রক্ষা করে চলবো।
প্রশ্ন ৭ :- জনতার মঞ্চ থেকে বহিষ্কৃত হওয়া সম্ভব কিনা?
উত্তর : হা, আমাদের প্রধান নীতি পরমত সহিষ্ণুতা। কথা , কাজ ও চিন্তা-চেতনা কিংবা আলোচনা-সমালোচনা করার ক্ষেত্রে ধর্ম, বর্ণ, রক্ত, ধনী, গরিব, অন্যান্য প্রাণী এবং পরিবেশ নির্বিশেষে "কঠোরভাবে নিরপেক্ষতা নীতি" বজায় রাখতে হবে। অর্থাৎ আপনি এমনভাবে আপনার হাত প্রসারিত করবেন, যাতে, তা যেন অন্যের নাকে গিয়ে না লাগে; কাউকে আহত না করে। এতে বহিষ্কার আদেশ হবে।
উচ্চারণের জড়তা কাটাতে মুখের ব্যায়াম
স্বর-প্রক্ষেপণ:
জিভের সঠিক ব্যবহার:
ঠোঁট, দাঁত, মূর্ধার সঠিক ব্যবহার:
শ্বাস নিয়ন্ত্রণ প্রক্রিয়া
নিবন্ধিত হওয়া প্রত্যেকের জন্য এই নিয়ম-কানুন পড়া বাধ্যতামূলক
জনতার মঞ্চের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য ও নিয়ম-কানুন
জনতার মঞ্চ মানে People's Platform। এর উদ্দেশ্য নতুন সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব তৈরি করা। “আমি থেকে আমরা” হওয়া অর্থাৎ সমাজের সচেতন ও নেতৃত্বের গুণসম্পন্ন মানুষদের মধ্যে একটি বহুকেন্দ্রিক নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা। উদ্দেশ্য সফল করার লক্ষ্যে সকল নেটওয়ার্কের যোগাযোগের কেন্দ্র এবং সৃজনশীল মানুষের তথ্য ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সাপ্তাহিক ও মাসিক কার্যক্রমের মাধ্যম হিসাবে এই মঞ্চ ব্যবহৃত হবে।
জনতার মঞ্চ আপনাকে পাঁচভাবে সহায়তা করবে :
এক) জনতার মঞ্চ-এর ধারাবাহিক একক্টিভিটির মাধ্যমে আপনি নিজেকে যোগ্য নেতা হিসেবে গড়ে তুলতে ২৫টি সফ্ট স্কিল প্রশিক্ষণ বিনামূল্যে পাবেন।
দুই) সামাজিক, রাজনৈতিকসহ সকল কর্মকাণ্ডে "আপনার বলিষ্ঠ নেতৃত্ব তুলে ধরতে" ব্যাপক প্রচার প্রচারণা চালাতে জনতার মঞ্চ দৃঢ়ভাবে অঙ্গীকারবদ্ধ।
তিন) আপনার নির্বাচনী এলাকায় জনস্বার্থে পরিচালিত সকল বাস্তবায়নযোগ্য কর্মকান্ডে "জনতার মঞ্চ" প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবে এবং জনপ্রতিনিধি হিসেবে আপনার সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে এবং আপনাকে ক্ষমতায়িত করতে সকল ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
চার) দেশের শীর্ষ লেভেল পর্যন্ত কানেক্টিভিটি গড়ার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সাপোর্ট দিবে। অর্থাৎ যে কোনো সমস্যায় আপনি একা হবেন না, সঙ্গে পুরো মঞ্চের শক্তি আপনার পাশে থাকবে।
পাঁচ) ক্ষমতাবান নতুন নতুন মানুষজনের সাথে পরিচিত হওয়ার মাধ্যমে একদিকে যেমন আপনার সুস্থ্য, সুখী ও সার্থক জীবন সম্ভব হবে, অন্যদিকে আমাদের কমিউনাল অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে উদ্বিগ্নমুক্ত টেনশনফ্রি অর্থবহ জীবন যাপনের স্বাদ পাবেন।
মঞ্চ পরিকল্পনা
তিনজনের গ্রুপ: মঞ্চের আনন্দের আড্ডায় প্রথমে নতুন আশা তিনজনকে নিয়ে একটি গ্রুপ গঠন করা হয় । ওই সপ্তাহে তারা তিনজন পরস্পরের সাথে পরিচিত হবে এবং গ্রুপ অনুযায়ী এক এক করে মঞ্চে উঠবেন। যেহেতু তারা তিনজন এক সপ্তাহ সময় পাবে পরস্পরের সাথে পরিচিত হবার, সেহেতু পরবর্তী সপ্তাহে ওই তিনজন তাদের নির্ধারিত বক্তব্যের আগে অন্য দুই বন্ধু সম্পর্কে এক মিনিটের মধ্যে তার মন্তব্য পর্যবেক্ষণ ও মতামত বা পরামর্শ তুলে ধরেন। এই তিনজনের বাইরে তারা সমাজে আরও বেশি সংখ্যক মানুষের সম্পর্ক তৈরির অভিজ্ঞতাও তুলে ধরতে পারেন।
সাংগঠনিক দক্ষতা বৃদ্ধি: পরবর্তী সপ্তাহে তাকে আবার নতুন তিনজনের একটি গ্রুপে জয়েন্ট করতে হবে। এর উদ্দেশ্য হল-নতুন নতুন মানুষের সাথে কমিউনিটি বিল্ডআপ করানো। এখানে বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, গ্রুপের প্রত্যেককে যেকোনো এক বা একাধীক সংগঠন-এর সদস্য হওয়া বাধ্যতামূলক। সেটা হতে পারে তার নিজস্ব নতুন সংগঠন অথবা সামাজিক-সাংস্কৃতিক-রাজনৈতিক বা ধর্মীয় যেকোনো সংগঠন; তবে এর মূল উদ্দেশ্য হতে হবে সামাজিক-মানবিক ও পরিবেশগত কাজে স্বেচ্ছাসেবী হওয়া; পাশাপাশি 'আমি থেকে আমরা' হয়ে উঠা অর্থাৎ সাংগঠনিক দক্ষতা বাড়ানো।
জনতার মঞ্চে প্রচারণা: যে কেউ তার পণ্য বা সংগঠনের ভাল দিকগুলির তুলে ধরে, তাতে যোগ দেওয়া বা ব্যবসায়িক কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার জন্য ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে অন্যকে আহবানও জানাতে পারবেন এবং তার ব্যক্তিগত কিংবা ওই সংগঠনের অধীনে কোথাও যদি কো্নো ইভেন্টের আয়োজন করা হয়, তাতে যার ইচ্ছা হয় যোগ দিতে পারবেন। এর দায় দায়িত্ব ব্যক্তিগত, মঞ্চের নয়।
জনতার মঞ্চের দায়িত্ব ও কাজ : জনতার মঞ্চ প্রত্যেক এক্টিবিস্টদের ডিজিটাল ভিজিটিং কার্ড অর্থাৎ ছবি ও সোশ্যাল মিডিয়া লিংকসহ নাম, ফোন নাম্বার, লোকেশন, পেশা ইত্যাদি ডিজিটালভাবে সংরক্ষণ করে রাখবে এবং যেকোনো ব্যক্তি সকল এক্টিভিস্টদের সাথে যোগাযোগ করার স্বার্থে এই ডাটা শেয়ার করতে পারবে। এক্টিভিস্টদের দৈনিক, সাপ্তাহিক এক্টিভিটি জনতার মঞ্চ প্রত্যেকে্র কাছে হোয়াটসঅ্যাপ টেলিগ্রাম ইমু ইত্যাদি মাধ্যমে শেয়ার করবেন। জনতার মঞ্চের শেয়ার করা এইসব লিংক প্রত্যেক এক্টিভিস্টরা মনোযোগ সহকারে দেখবেন, লাইক-কমেন্ট করবেন। যিনি যত বেশি লাইক কমেন্ট করবেন তার একটিভিটি তত বেশি প্রচারের ব্যবস্থা করা হবে। জনতার মঞ্চ থেকে প্রত্যেহ রাত দশটার সময় তার নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেল, ফেসবুক পেইজ কিংবা টিকটক একাউন্টে একাধীক কনটেন্ট আপলোড করা হবে; প্রত্যেকেই ওই সময়টায় বা সুবিধাজনক সময়ে লাইক কমেন্ট করবেন।
জনতার মঞ্চের প্রশিক্ষণ এক্টিভিটি: জনতার মঞ্চ থেকে প্রতি সপ্তাহে ধারাবাহিক প্রশিক্ষণসহ প্রতিমাসে কিংবা বিশেষ কোনো দিবস উপলক্ষে আয়োজন করা হবে বিশেষ আউটডোর অনুষ্ঠানমালা। যেমন শীতকালীন বনভোজন, স্বাধীনতা দিবস উদযাপন, বিজয় দিবস উদযাপন, নতুন বছর উদযাপন কিংবা শিক্ষা দিবস, মা দিব্স, ভালোবাসা দিবস ইত্যাদি উপলক্ষে দেশের জনবহুল স্থান: যেমন ফার্মগেট প্রেসক্লাব শহীদ মিনার ইত্যাদি স্থানে আয়োজন করা হবে জনতার মঞ্চ এর বিশেষ আউটডোর কর্মশালা। এতে আগ্রহী এক্টিভিস্টরা অংশ নেবেন এবং কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।
জনতার মঞ্চ পরিচালনা: প্রত্যেক তিন মাস পর পর দশ জনের একটি নতুন কমিটি করা হবে। ওই কমিটি তিন মাস পর্যন্ত জনতার মঞ্চ পরিচালনা করার সকল দায় দায়িত্ব নিবেন। এই কমিটি নির্বাচিত হবেন জনতার মঞ্চে উপস্থিত প্রত্যেকের প্রত্যক্ষ ভোটের ভিত্তিতে।
জনতার মঞ্চের আয় ব্যয়:
ভিডিও এডিটিং ও আপলোডিং গড়ে মোট ৩০ জন থেকে ৪০ জন বক্তব্য দিলেও তার মধ্য থেকে অন্তত ৩০জন-এর ভিডিও এডিটিং ও সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোডিং বাবদ ১০০ টাকা হারে নিলেও প্রতিবার গড়ে ৩০০০ টাকা আয় হবে।
প্রতি সপ্তাহে তিনজন ভিআইপি ভিডিও বোস্ট বাবদ কিছু টাকা নিলে তাতে ১০% টাকা আয় হবে।।
আজীবন সদস্য, উপদেষ্টা এবং পরিচালক হিসাবে নতুন রেজিস্ট্রেশন বাবত ১০০ টাকা করে ১০ জন অংশ নিলে তাতে ১০০০ টাকা আসবে।
মনিটাইজেশন পাওয়ার পর উপরে উপরোক্ত চ্যানেলগুলি থেকেও জনতার মঞ্চ আয় করবে।
উপযুক্ত ভিডিও-র নিচে বা মধ্যে বিজ্ঞাপন নিয়েও আয় হবে।