“ট্যালেন্ট হাব” 

ট্যালেন্ট হাব” কোনো সংগঠন নয়; এটি একটি আত্মউন্নয়নমূলক ‘প্রশিক্ষণ প্ল্যাটফরম’। এতে যারা যোগ দিবেন, তারা সবাই বন্ধু হিসেবে বিবেচিত হবেন।এই বন্ধুদের জন্য আছে ৩ রকমের প্রশিক্ষণ : এক) "ট্যালেন্ট নোটবুক"। আমরা ৪০০ পৃষ্ঠার একটি ট্যালেন্ট নোটবুক তৈরি করেছি। এতে এনসাইক্লোপিডিয়া ৪০০ তথ্য আছে এবং ৪০০ স্কিল ডেভেলপমেন্ট প্রশিক্ষণ আছে। পাশাপাশি লেখার মত জন্য প্রয়োজনীয় জায়গা আছে। পড়তে লিংক-এ ক্লিক করুন।


“ট্যালেন্ট নোটবুক" কিভাবে লিখবেন?

ট্যালেন্ট নোটবুক বা একটি সাধারণ নোটবুক নিন। কলম দিয়ে লিখতে শুরু করুন৷  প্রথমে ওপরে তারিখ লিখুন৷ তাপর লিখুন- গত কালের ভালো কাজসমূহ।  এবার পয়েন্ট দিয়ে লিখতে শুরু করুন৷ কাকে কাকে উপকার করেছেন৷ কাকে সঠিক পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করেছেন। কার মন খারাপে আপনার আনন্দ হয়েছেন এবং কেন হয়েছে ?  কোন ক্ষুধার্ত প্রাণিকে খাবার দিয়েছেন, আদর দিয়েছেন? কারো কাজে সহযোগিতা করেছেন? আপনার প্রতিবেশি বা পাশের যাত্রীর  মত বিনিময় ও ইতিবাচক আচরণ  করেছেন কি? আজ সারাদিন কি আপনি মন খারাপ বা মুড অফ করে ছিলেন; নাকি হাসিখুশি প্রাণবন্ত ছিলেন?, প্রতিটি ছোটোখাটো ভালো কাজ লিখবেন৷

তারপর লিখবেন- গত কালের খারাপ কাজের তালিকা। কাকে কাকে বকা বা উত্তেজিত হয়ে কথা শুনিয়েছেন? বন্ধুদের আড্ডায় তৃতীয় কোন ব্যক্তিকে নিয়ে সমালোচনা করেছেন। কার নাম বিকৃত উচ্চারণে বলেছেন যা শুনলে সেই ব্যক্তি কষ্ট পাবে। অথবা নামের সাথে বিশেষণ যোগ করে উপহাসের পাত্র বানিয়েছেন। বিড়াল কুকুরকে লাথি মেরেছেন?  আপনার চেয়ে দুর্বল ও সুবিধা বঞ্চিত মানুষদের সাথে  দুর্ব্যবহার করেছেন৷ ছোটখাটো সমস্ত খারাপ কাজের কথা লিখুন৷

ব্যস, আপনার এক দিনের আমলনামা আপনার সামনে৷ এবার পর্যালোচনা করুন৷ কোন কাজ বাড়ানো উচিৎ, কোন কাজ ত্যাগ করা উচিৎ৷ এভাবে নিজের কাজের বিশ্লেষণ করবেন৷ তাহলে  আপনি সেরা মানুষটি হয়ে উঠবেন।

দুই) সাপ্তাহিক বন্ধুসভার গোলটেবিল বৈঠকে নিয়মিত উপস্থিত হতে হবে। এই গোল বৈঠক অনেকটা পাঠচক্রের মতো হলেও এটি মূলত উপস্থাপনাভিত্তিক প্রশিক্ষণ। এতে সংসদীয় আদলে বিতর্ক,  বহুত্ববাদী সহনশীল সংস্কৃতি চর্চা, মেধা ও বুদ্ধিভিত্তিক খেলাধুলা, সঙ্গীত, আবৃত্তি অভিনয়, বিনোদন ও শিল্পচর্চা, পাঠচক্র ও বিজ্ঞান চর্চার মতো সহপাঠ্য কার্যক্রম চর্চা করা হয়  মানসিক সুস্বাস্থ্য, সামাজিক সম্পর্ক, নৈতিকতা, ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের মতো বিষয়গুলো শেখানোর ব্যবস্থা করা হয়  শিক্ষা, আচরণ ও মানসিক সুস্থতায় সন্তানকে সহায়তা করার জন্য অভিভাবকদের প্রয়োজনীয় উপস্থিতি মতামত ও দিকনির্দেশনা থাকে। সাপ্তাহিকে বৈঠকের লিংক-এ প্রবেশ করতে এখানে ক্লিক করুন।

তিন) শিক্ষা ভ্রমণ, শিক্ষা ক্যাম্প এবং অনলাইনে শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ। 


হলিডে ক্যাম্পিং

একাধীক শিক্ষার্থী নিয়ে/মিলে বিভিন্ন শিক্ষা সফরের আয়োজন করলেও করা হলেওদুই তিন মাস পর পর হলিডে ক্যাম্পিং করতে হবে। হলিডে ক্যাম্পিং হলো খোলা প্রকৃতির মাঝে  বা শহরের বাইরে, পাহাড়, সমুদ্র বা জঙ্গলের মতো প্রাকৃতিক পরিবেশে তাঁবু বা অন্যান্য অস্থায়ী আশ্রয়স্থলে দিন বা রাত কাটানোর একটি বিনোদনমূলক ও শিক্ষামূলক কার্যকলাপ।  শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের সময়ে কিংবা জাতীয় ছুটির দিনগুলিতে প্রতিবছর এক বা একাধিকবার ক্লাবভুক্ত শিক্ষার্থীদের নিয়ে ১,২,৩,৫ বা ৭দিনের হলিডে ক্যাম্পিং-এর বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মফল আয়োজন করা হবে। অত্যন্ত কম বাজেটে ছুটির শিক্ষা সফর হবে এটি। 

 এই সফরে শিক্ষার্থীদেরকে এমন একটি পরিস্থিতিতে ফেলা হয়, যেখানে তাকে একজন অতি দরিদ্র ব্যক্তি হিসাবে এক বা একাধিক দিন বেঁচে থাকতে হয়। খাবারের কষ্ট, থাকার কষ্টসহ একজন অভাবগ্রস্থ ব্যক্তি্র প্রতিদিন কি অবস্থার মধ্য দিয়ে দিন-রাত কাটে, তা শিক্ষার্থীকে যাপিত জীবন যাপনের মাধ্যমে ভোগ করতে হয়। কিন্তু গরিব হলেও তার আচরণ যদি আদর্শবান, দৃঢ় প্রত্যয়ী ও সুখী মানুষের মতো বজায় থাকে, তবেই সে উপযুক্ত সার্টিফিকেট পাবে; যা তার অহংকার হিসেবে ড্রয়িং রুমে ঝুলিয়ে রাখবে। মুলত অর্থের প্রকৃত মূল্য শেখানো, প্রযুক্তিহীন আগেকার মানুষ ও অসহায় মানুষের জীবন যাপনকে উপলব্দি, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি, মানসিক দৃঢ়তা ও ধৈর্যশীলতার মূল্যায়ন, প্রকৃতিকে উপলব্ধি ও একাত্মকরণ, গ্রুপ ডিসকাশন ও শেয়ারিং এর গুরুত্ব উপলব্ধি, বেঁচে থাকার সংগ্রামে তাকে সম্পৃক্তকরণ ইত্যাদি এই হলিডে ক্যাম্পিংয়ের মূল উদ্দেশ্য। 


প্রথম হলিডে ক্যাম্পিং-এর উল্লেখযোগ্য কিছু প্রতিযোগিতা 

শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন কর্মকান্ডের সাথে সম্পৃক্ত করতে ও উৎসাহ দিতে নানা কর্মশালারও আয়োজন করা হয় হলিডে ক্যাম্পিং-এ। যেমন-

১) ময়লা কুড়ানোর প্রতিযোগিতা 'স্পোগোমি গেম’ : শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিচ্ছন্নতা, পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে ময়লা কুড়ানোর প্রতিযোগিতা 'স্পোগোমি গেম’  ‘এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ওয়েস্ট সেগ্রিগেশন বা বর্জ্য পৃথক করা শিখবে। ছোটবেলে থেকেই যদি তাদের মধ্যে এই অভ্যাস গড়ে ওঠে, তাহলে তাদের হাত ধরেই একটি পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা সম্ভব হবে। ময়লা কুড়ানোর এই প্রতিযোগিতায় অনেকগুলি দলে বিভক্ত হয়ে শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। প্রতিযোগিতায় বর্জ্যকে চারটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়- বার্নেবল, নন-বার্নেবল, প্লাস্টিক বোতল এবং সিগারেট ওয়েস্ট। প্রতিটি ক্যাটাগরির জন্য আলাদা পয়েন্ট নির্ধারণ করা হয় এবং সর্বোচ্চ পয়েন্ট অর্জনকারী দলকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা ময়লা সংগ্রহের জন্য ৩০ মিনিট এবং বর্জ্য পৃথকীকরণের জন্য ২০ মিনিট সময় পান। অনুষ্ঠানে রেফারির দায়িত্ব পালন করছিলেন পরিচালক । 

২) পরিবেশ ও প্রকৃতিকে সংরক্ষণ: রাস্তার পাশে বা পরিত্যক্ত স্থানে গাছ লাগানো এবং সেগুলোর নিয়মিত পরিচর্যা করা।  আহত বন্যপ্রাণী উদ্ধার, পুনর্বাসন এবং তাদের আবাসস্থল রক্ষায় কাজ করা, পরিবেশ দূষণ, জলবায়ু পরিবর্তন ধূমপান বা প্লাস্টিকের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে অন্যদের সচেতন করার জন্য প্লে-কার্ড , ফেস্টুন , ব্যানার বহন করা বা মানববন্ধন করা, লিফলেট বিতরণ করা;  এলাকার নির্দিষ্ট কোনো পরিবেশগত সমস্যা যেমন: খাল দূষণ বা  ভাঙ্গা রাস্তা মেরামত করা ইত্যাদি অসংখ্য কর্মযজ্ঞ পরিচালকের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সুচারুভাবে করতে হয়। পরিশ্রম বুদ্ধিমত্তা ও দক্ষতার উপর দেয়া হয় পুরস্কার।

৩) নিরাপদ খাদ্য শৃঙ্খলা  Safe Food Chain : HACCP (হ্যাসেপ): বা Hazard Analysis and Critical Control Points -এর মাধ্যমে খাদ্যের জৈবিক, রাসায়নিক ও শারীরিক ঝুঁকিগুলো শনাক্ত করে তা নিয়ন্ত্রণের কৌশল আয়ত্ত করতে শেখানো হয় ;  খাবার নিরাপদ রাখার জন্য নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় (যাকে 'Danger Zone' বলা হয় তার বাইরে) সংরক্ষণ এবং সঠিকভাবে গরম বা ঠান্ডা করার পদ্ধতি শিখতে হয় ; কম খরচে সহজ উপায়ে পানি পরিশোধনের পদ্ধতি, রান্নাঘর, বসতবাড়ী ও কারখানায় পোকা-মাকড় বা ইঁদুরের উপদ্রব রোধ এবং বর্জ্য নিষ্কাশনের বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি শিখতে  হয়  এবং প্রশিক্ষণ শেষে  নিরাপদ খাদ্য শৃঙ্খলার একটা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

৪) দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বা মক ড্রিল (Mock Drill): মক ড্রিল হলো কোনো বিশেষ জরুরি বা দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতি (যেমন- আগুন, ভূমিকম্প, বা সন্ত্রাসী হামলা) মোকাবিলার জন্য একটি পূর্বপরিকল্পিত মহড়া করা। উপযুক্ত প্রশিক্ষণ শেষে মহড়া আয়োজন করে ভালো ফলাফলকারীদের পুরস্কৃত করা হয়।


৫) “নলেজ নকআউট সিজন-১,২,৩” কুইজ প্রতিযোগিতা:এটি শুধুমাত্র একটি কুইজ প্রতিযোগিতা নয়, বরং শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, মানসিক দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির জন্য এক বিরল মঞ্চ। “নলেজ নকআউট সিজন” শিক্ষার্থীদের কাছে শুধু প্রতিযোগিতা নয়, বরং জ্ঞান, দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাসের এক অনন্য উৎসব । 

৬) সাইকেল চালানোর প্রতিযোগিতা: শিক্ষার্থীরা ফিটনেস এবং খেলাধুলার বিষয়ে যাতে আরও সচেতন হয়ে ওঠে তার জন্য এই উদ্যোগ নেওয়া হয়।  এতে কয়েকটি সাইজের বাইসাইকেল দেয়া হয় , যারা নির্ধারিত ছকের মধ্যে সঠিকভাবে বাইসাইকেল চালাতে পারেন, তারাই পুরস্কৃত হয়।

৭) Rhyme & Rhythm' প্রতিযোগিতা: শিক্ষার্থীদেরকে বয়স অনুযায়ী কয়েকটি গ্রুপে ভাগ করে একটি ছড়া বলা ও কবিতা আবৃত্তি করার প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয়।

৮) আজ রং-ই বলবে গল্প: শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা তুলে ধরার এক দুর্দান্ত প্রতিযোগিতা। ভিন্ন ভিন্ন বিভাগে একাধিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে শিক্ষার্থীরা ছবি আকার মাধ্যমে একটি ছোট্ট গল্প উপস্থাপন করবেন। 

৯) নাটক প্রতিযোগিতা: কক বা দ্বৈত পারফরমেন্সে হাসি সুখ দুঃখ ইত্যাদি অনুভূতি ব্যক্ত করে বাংলা ছোট নাটিকা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।

১০) সংগীত প্রতিযোগিতা: লোকগীতি (বাউল, ভাটিয়ালি, ভাওয়াইয়া), রবীন্দ্রসংগীত, নজরুলগীতি, আধুনিক গান (পপ, রক, জ্যাজ), এবং ধর্মীয় গান (হামদ, নাত, কাওয়ালি, শ্যামা, কীর্তন,),  সব ধরনের সংগীত পরিবেশন করা যাবে , তবে উক্ত গানে কি কথা বলা হয়েছে তা তাৎপর্য বা মাহাত্ম্য কি তা আগে বর্ণনা করতে হবে।

১১) নৃত্য প্রতিযোগিতা: ব্যালে, হিপ-হপ, জ্যাজ, ট্যাপ, সালসা ইত্যাদি ভিন্ন ভিন্ন শৈলীর নৃত্য থেকে শুরু করে  আমাদের লোকনৃত্য পর্যন্ত সকল নৃত্যের সৃজনশীলতা উপলব্ধি ও আবেদন নিবেদন উপস্থাপনা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।

১২) গেমস জিমন্যাস্টিকস ওযোগাসন প্রতিযোগিতা: জিমন্যাস্টিকস প্রতিযোগিতা ও ব্যক্তিগত আর্টিস্টিক যোগাসন প্রতিযোগিতায়; একক ট্র্যাডিশনাল যোগাসন প্রতিযোগিতা; আর্টিস্টিক যোগাসনের দ্বৈত বিভাগে; দ্বৈত রিদমিক যোগাসন প্রতিযোগিতা; দ্বৈত রিদমিক যোগাসন প্রতিযোগিতা



বন্ধুদের মান উন্নয়ন: 

বন্ধুদের মান উন্নয়নের জন্য আছে ৫টি স্তর। তবে শিক্ষার্থীর ইচ্ছা করলে যে-কোনো স্তরে  সাময়িক বা স্থায়ী বিরতি নিতে পারেন। অর্থাৎ প্রক্রিয়া সমাপ্ত করার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।

প্রথম স্তর: 

নৈতিকতা ও আদব কায়দা নিয়ে তরুণ সমাজ ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে একটি প্রতিযোগিতামূলক প্রশ্নোত্তরের আয়োজন করা হয়। এই প্রশ্নোত্তর প্রতিযোগিতার উত্তীর্ণ হওয়ার পর শিক্ষার্থীদের কাজ হচ্ছে ১০ থেকে ২০ জনের এক একটি “স্টুডেন্ট ক্লাব” বা ‘সুনাগরিক ক্লাব’ বা তাদের নিজ নিজ এলাকা/ইউনিয়ন/শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা প্রায় গ্রহণযোগ্য পছন্দসই কোনো নামে একটি ক্লাব গঠন করা। এটি অনেকটা জাপানের 'মোয়াই' (Moai) -ক্লাবের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। যাকে  শিক্ষার্থীদের দ্বিতীয় পরিবার এবং "একসাথে পথ চলার"-র লাইফস্টাইল বলা যায়। এখানে সদস্যরা সপ্তাহে ছুটির দিনে একত্রিত হন—জ্ঞানচর্চা করেন, দক্ষতার বিকাশে প্রশিক্ষণ নেন, আড্ডা দেন, খাবার থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত সমস্যা ও আনন্দ ভাগাভাগি করেন। এর সদস্যরা একে অপরের প্রয়োজন অনুসারে সামাজিক, মানসিক, স্বাস্থ্যগত এবং এমনকি আর্থিক সমর্থন প্রদান করে। সদস্যরা প্রতি মাসে একটি ক্ষুদ্র চাঁদা জমা করেন। যা দিয়ে উৎসব, খেলাধুলা, প্রতিযোগিতা আয়োজন ও বিভিন্ন লাভজনক কাজে বিনিয়োগ বা সদস্যদের মধ্যে যার যখন আর্থিক সহায়তা প্রয়োজন হয়, তখন তাকে দেয়া হয়। 


দ্বিতীয় স্তর: 

প্রতি সপ্তাহে্র  ছুটির দিনে একটি নির্দিষ্ট স্থানে একত্রিত হয়ে একটি গোল পাঠচক্র বৈঠকে করা। যাতে সুনির্দিষ্ট কিছু শিক্ষা, দক্ষতা, ইতিহাস,ভূগোল, বিজ্ঞান ও স্বাস্থ্য বিষয়ক কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিয়ে জ্ঞানচর্চা করা হয়। ৪ থেকে ৬ সপ্তাহের পাঠচক্রের অর্জিত জ্ঞান ও শিক্ষা নিয়ে দ্বিতীয় ধাপের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে হয়। প্রতিটি ধাপের সিলেবাস ও পাঠ্য লিংক-www.sunagorik.net/0


তৃতীয় স্তর: 

দ্বিতীয় ধাপের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর পরবর্তী ৮ থেকে ১০ সপ্তাহের পাঠচক্রে অর্জিত জ্ঞান ও শিক্ষা নিয়ে তৃতীয় ধাপের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করার আগে কয়েকটি শিক্ষার্থীদের ক্লাব একত্রিত হয়ে একটি দুই দিনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচির বা Tp(Training program) আয়োজন করা হয়।  যেখানে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় কমিউনিকেশন স্কিল বাড়ানো, কথা বলার দক্ষতা বৃদ্ধি,  বহুমুখী দক্ষতা অর্জন,  শরীর ফিটনেস ধরে রেখে জীবন উপভোগ ইত্যাদি বিষয়ে । প্রশিক্ষণ শেষে পরীক্ষার আয়োজন করা হয়।


চতুর্থ স্তর: 

তৃতীয় ধাপের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর ১২ থেকে  ১৬ সপ্তাহের পাঠচক্রে অর্জিত জ্ঞান ও শিক্ষা নিয়ে চতুর্থ ধাপের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে হয়। এ প্রতিযোগিতার  অংশ হিসেবে "হলিডে ক্যাম্পিং" করতে হয়। হলিডে ক্যাম্পিং হলো খোলা প্রাকৃতিক পরিবেশে বা অন্য অস্থায়ী আশ্রয়স্থলে সারাদিনের একটি বিনোদনমূলক ভ্রমণ ও শিক্ষামূলক কার্যকলাপ।  শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের সময়ে কিংবা জাতীয় ছুটির দিনগুলিতে এক বা একাধিকবার ক্লাবভুক্ত শিক্ষার্থীদের নিয়ে ১,২,৩ বা ৫ দিনের হলিডে ক্যাম্পিং-এর বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজন করা হয়। 


পঞ্চম স্তর: 

চতুর্থ ধাপের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর সামাজিক নেতৃত্বদানের জন্য জ্ঞান, প্রজ্ঞা, যোগ্যতা ও দক্ষতার চর্চার ধারাবাহিকতা বৃদ্ধি করতে শিক্ষার্থীদেরকে স্টারে ভূষিত করা হয়।  যিনি ১০০টি বিষয় নিয়ে ভালো বলতে পেরেছে এবং যার কমিউনিকেশন স্কিল মোটামুটি প্রাথমিক লেভেল অতিক্রম করবে, তাকে ওয়ান স্টার। আবার যিনি ২০০বিষয় নিয়ে ভালো বলতে পারে এবং যার কমিউনিকেশন স্কিল  আর একটু ভাল, তাকে  টু স্টার। এভাবে ক্রমান্বয়ে ৫স্টারে শিক্ষার্থীকে ভূষিত করা হয়। এই স্টার হবার প্রয়োজনীয় জ্ঞান, দক্ষতা ও যোগ্যতা তৈরির যাবতীয় তথ্যাবলীর প্রতি মাসে ৮টি গ্যালারীতে থাকে, আমাদের ওয়েবে  মাসের নামে ক্লিক করলে এটি পাওয়া যায়।যেমন-  www.sunagorik.net/January


বন্ধুদের ‘সুআহা’ চর্চা

বন্ধুদের কথাবার্তাকে 'সুআহা' কথোপকথন বলে। সুআহা মানে সু=সুচিন্তিত, আ= ন্তরিকতা মেশানো, হা= মৃদু হাসি মুখে ফুটিয়ে তুলে বলা। সকল সদস্য যে-কারো সাথে কথা বলার সময় তাকে ভাই, ভাইজান, বড় ভাই, ছোট ভাই, দাদা, দিদি, আপামনি, আপু, আন্টি, আংকেল, স্যার, ম্যাম, ইত্যাদি সম্বোধন করে; সমবয়সী বা ছোট হলে তার নাম সুন্দরভাবে উচ্চারণ করে আন্তরিকতা মিশানো, দরদ মিশিয়ে মুখে হাসি ধরে রেখে কথা বলবেন। বিরক্ত হয়ে রূঢ় আচরণ, উত্তেজিত বা রাগান্বিত হয়ে কিংবা কঠিন সুরে কথা বলা বন্ধুদের ভাষা নয়। যত কষ্ট, যত হতাশা এবং যত বড় ক্ষতি তার হোক না কেনো, কোনো অবস্থাতে বন্ধুরা মেজাজ হারাবেন না। বন্ধুদের প্রতিটা কথা হবে সুচিন্তিত ও আন্ত্ররিকতা মেশানো। প্রতিদিন সকালে বিছানায় বসে গভীর শ্বাস নিয়ে গলা দিয়ে শব্দ করে সু--আ--হা ৩ থেকে ১০বার বলতে হবে। এখানে -আ-লম্বা শব্দ হবে।

বন্ধুরা ৩(তিন) ধরনের পুজি সঞ্চয় করবেন। ক) তথ্য ও জ্ঞান থ) অভিজ্ঞতা ও ব্যর্থতা গ) বিনয় ও অর্থ সঞ্চয় (বন্ধুদের বিনয়কে অর্থ সঞ্চয় হিসেবে বিবেচনা করা হয়।)


বন্ধু কুঠির: 

প্রত্যেক এলাকায় ২ থেকে ০ জন বন্ধু সদস্যদের নিয়ে একটি সাপ্তাহিক ‘'গোলটেবিলবৈঠক করবেন। নতুন নতুন বন্ধুকে 'এই বৈঠকে আমন্ত্রণ জানাবেন। এ সভায় বন্ধুদের সাপ্তাহিক পর্যালোচনা, আচার-ব্যবহার অনুশীলন, জ্ঞান চর্চা, সামাজিক স্বেচ্ছাশ্রম, তথ্য শেয়ারিং এবং বিনোদনের আয়োজন করবেন। বন্ধু্রা তাদের নিজেদের ঘরকে  ''বন্ধু কুঠির' বলেন/ লিখেন। প্রত্যকে নিজের এই 'বন্ধু  কুটির'কে এমনভাবে সাজিয়ে গুজিয়ে স্বর্গ হিসেবে তৈরি করে রাখবেন, যার পরিচ্ছন্নতা এবং সৃজনশীল সৌন্দর্য যে-কোন মানুষের মনকে যেন আনন্দধারায় ভাসিয়ে নিয়ে যায়। 

তারা এই 'বন্ধু কুটিরকে ইকো-ট্যুরিজমের কেন্দ্রস্থল তথা ‘ইকো-রিসোর্ট’-এ পরিণত করতে পারেন। ইকো-ট্যুরিজম হলো  দায়িত্বশীল ভ্রমণ;  যা প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য উপলব্ধি, উপভোগ, অধ্যয়ন ও স্থানীয় মানুষের সঙ্গে বন্ধুত্বের বন্ধন সুদৃঢ় করে।  জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও গ্রাম পর্যায়ে জলাধার, উদ্যান এবং ঐতিহাসিক স্থানগুলো ' তালিকাভুক্ত করে ইকো-ট্যুরিজম  স্পট হিসেবে চিহ্নিত করা যায়। এইসব পর্যটন  স্পটকে কেন্দ্র করে ‘ বন্ধু কমিউনিটি বেজড কালচারাল ইকো-ট্যুরিজম’ গড়ে তোলা যেতে পারে।  

প্রতিটি 'বন্ধু কুটিরের একটা নাম্বার থাকবে; তা হবে এলাকার পোস্টকোড+ওয়ার্ড+নাম্বার। যেমন- ৪৭০০-৩-১৫। কোনো 'বন্ধু' দেশ-বিদেশের যে-কোনো মানুষের সাথে নেটওয়ার্ক বিল্ডআপ করে তার 'বন্ধু কুটিরে আমন্ত্রণ জানাবেন। এছাড়া অনলাইন মার্কেটিংসহ বন্ধুদের অর্থ উপার্জনের নানামূখী আয়োজন-এর কেন্দ্র হিসেবে এ কুঠিরকে গড়ে তুলতে হবে। এখান থেকে 'বন্ধুরা তাদের উৎপাদিত পণ্য কিংবা সার্ভিস যাতে টার্গেটকৃত মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারেন এবং তা থেকে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জন করতে পারেন, সেই লক্ষ্যে কাজ করবে’। তাই এই কুঠিরকে বলা যায় 'বন্ধুদের একটি 'কর্মযোগ সংস্থা'।


'বন্ধু সংসদ: 

ইউনিয়ন ওয়ার্ডের বা পৌর রোডের সকল 'বন্ধুরা মিলে একটি ‘বন্ধু সংসদ’ গঠন করবেন। এই ‘বন্ধু সংসদ’-এর মাসিক বৈঠক স্থল হিসেবে সুবিধাজনক স্থান কিংবা মাঠ'কে নির্ধারণ করবেন। সেখানে তারা বন্ধুদের ব্যক্তিগত জীবন, পারিবারিক জীবন, অর্থনৈতিক কর্মকান্ড নিয়ে পর¯পরের সঙ্গে বুদ্ধি পরামর্শ ও সহযোগিতা সম্পাদন করবেন। এখানে সাপ্তাহিক জ্ঞান চর্চা, সংস্কৃতি চর্চা, বিনোদন, আড্ডা, নানা বিষয়ে তথ্য শেয়ার, মতামতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেয়া, ইত্যাদি নানা আয়োজন করবেন। এছাড়া সামাজিক ও প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষার বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন; দেশে-বিদেশে ঘটে যাওয়া ঘটনাসমূহের পর্যালোচনার প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গড়ে উঠবে এই 'বন্ধু সংসদ’।

সমাজে স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে কাজ করা, জ্ঞানী ব্যক্তিদের পুরস্কৃত করা, ব্যক্তিগত জীবনে বা কর্মক্ষেত্রে ভালো আচরণকারীদের মূল্যায়নসহ সমাজে নানা ক্ষেত্রে অবদান রাখার জন্য বিভিন্ন ব্যক্তিদের সম্মানিত করা এই ‘বন্ধু সংসদ’-এর অন্যতম দায়িত্ব। যেমন- প্রকাশ্যে ধূমপান বা পরিবারে ধূমপান না করার বিষয়ে একটি মানববন্ধন বা  র‌্যালির আয়োজনে অন্যান্য ছাত্র-ছাত্রীদের সম্পৃক্ত করার জন্য বিভিন্ন উদ্যোক্তা বা সহযোগিতাকারী শিক্ষক / অভিভাবক কিংবা স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিদের পুরস্কৃত করা কিংবা কোনো দোকানদারের পর্যায়ক্রমিক ভালো ব্যবহারের জন্য তার প্রতিষ্ঠানে একটি দৃশ্যমান উপহার দেয়া  অথবা কোন ছাত্র-ছাত্রীর ভালো রেজাল্ট, চাকরি, ভালো কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করার জন্য তার বসতবাড়িতে একটি দামি গাছের চারা রোপণ করে, তাতে তার “স্বীকৃতি সাইনবোর্ড” ঝুলিয়ে দেওয়া ইত্যাদি।

‘বন্ধু সংসদ’-এর নাম ইউনিয়ন এবং পৌর ওয়ার্ড-এর নামেই নামকরণ হবে। যেমন- এনায়েতপুর ‘বন্ধু সংসদ’, নেত্রকোনা। এই সংসদের ভার্চুয়াল একটি ‘পেইজ বা গুগুল সাইট’ থাকবে, যেখানে ইউনিয়ন বা ওয়ার্ডের সমস্ত খুঁটিনাটি তথ্য-উপাত্ত এবং বন্ধুদের বিভিন্ন তথ্য আপডেট করা হবে। এই ‘বন্ধু সংসদ’-এর সভা অনেকটা জাতীয় সংসদ স্ট্যাইলে হবে। এতে আমন্ত্রিত  একজন  স্পিকারের ভূমিকা পালন করবেন। কমিটির সদস্যরা তাদের কর্মকান্ড, দেশের রাজনীতসহ সামগ্রীক বিষয় এবং আর্ন্তজাতিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট যে-কোনো বিষয় নিয়ে তার বক্তব্য, মতামত, ফলোআপ ও ফিডব্যক দিবেন। সদস্যদের মতামত, পরামর্শের সারাংশের এই নোট নিয়ে ‘বন্ধু সংসদ’ কমিটি  পরবর্তী সিদ্ধান্ত নিবেন।  বন্ধু সভা'সকল কার্যক্রমের ফলাফল ও প্রতিক্রিয়া বিশ্লেষণ করে বন্ধু সংসদ প্রয়োজন মনে করলে নতুন বন্ধু সংঘ বন্ধু সভা গঠন করতে পারেন,  পুরাতন বন্ধু সভা ঢেলে সাজাতে পারেন।

নেতৃত্ব: প্রত্যেক বন্ধুরা সাপ্তাহিক বৈঠকে এক বছরের জন্য পাঁচজনকে বন্ধুসভা তথা সাপ্তাহিক বৈঠক পরিচালনা করার জন্য নির্বাচিত করবেন গোপন বেলেট-এর মাধ্যমে। যেমন তারা  প্রত্যেকে একটি কাগজের টুকরায় নিজের নাম এবং আরেকজন বন্ধুর নাম লিখবেন। সব কাগজ একত্র করে যার যার নাম বেশি আসবে , তারা পাঁচজন দায়িত্বে থাকবেন। বন্ধু সংসদ’-এর বেলায়ও একই পদ্ধতি।  প্রত্যেক বন্ধু সবার নির্বাচিত পাচজন একত্রিত হয়ে একই পদ্ধতিতে বন্ধু সংসদ -এর পাঁচজন নেতৃত্ব নির্বাচিত করবেন । একই পদ্ধতিতে উপজেলা, জেলা , বিভাগীয় কেন্দ্রীয় পরিচালনা কমিটি গঠন করতে হবে।এই কেন্দ্রীয় পরিষদের প্রধান কাজ হবে সকল বন্ধু সংসদ’গুলির মধ্যে একটা শক্তিশালী নেটওয়ার্ক তৈরি করা এবং প্রয়োজনীয় প্রচার প্রচারণা চালানো ও দিক নির্দেশনা দেওয়া।


বন্ধুদের সাপ্তাহিক বৈঠক-এর পর্যালোচনা:

সাপ্তাহিক বৈঠকে বন্ধু সদস্যদের যে ৩টি বিষয়ে পর্যালোচনা করতে হবে :

১। আচার-ব্যবহারের সাপ্তাহিক পর্যালোচনা: (পুরো ৭দিনে নিজেদের ও অন্যান্য ব্যক্তি বর্গের আচরণের পর্যালোচনা করে ত্রুটি থেকে শিক্ষা ও সংশোধনের অঙ্গীকার করা হবে)।

২। বন্ধু তালিকা পর্যালোচনা: (এক সপ্তাহে পুরাতন বন্ধুদের সাথে যোগাযোগ এবং নতুন বন্ধু প্রাপ্তি পর্য়ালোচনা করে নতুন কর্মপন্থা নির্ধারণ করতে হবে)

৩। তথ্য বিশ্লেষণ সাপ্তাহিক পর্যালোচনা (দেশে-বিদেশে ঘটে যাওয়া নানা ঘটনা এবং বিভিন্ন বক্তব্য থেকে শেখা তথ্য বিশ্লেষণ ও মতামত প্রদান।)

যে-কোনো  সদস্য  অন্যের মত বা সিদ্ধান্তের সাথে দ্বিমত পোষণ অকরতে পারেন। যে-কোনো সিদ্ধান্ত/কর্মসূচী বর্জন করা ও প্রয়োজনে প্রতিবাদ কিংবা নিজস্বতা রক্ষা করার অধিকার রাখেন প্রত্যেকেই। এমনকি ‘বন্ধু সভার মূল নীতিগুলির সাথে দ্বিমত পোষণ করে নিজস্ব রীতিনীতি মোতাবেক জীবন যাপন করারও অধিকার রাখেন প্রত্যেক সদস্য।

আয়ের উৎস: ১) সদস্য চাঁদা। ২)অনুদান ও সহায়তা। ৩) ফান্ড সংগ্রহ কার্যক্রম। যেমন: বিভিন্ন ইভেন্ট আয়োজন করা। একটি সমবায় গঠন করে নিশ্চিত লাভজনক কাজে বিনিয়োগ করা। বিভিন্ন পণ্য ও সেবা বিক্রয় করা। 

হিসাব নিরীক্ষা: মাসিক ও বার্ষিক হিসাব  সদস্য সভায়  উপস্থাপন করা হবে।