ডায়াবেটিস রোগীদের ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়ার মূল কারণ এবং এটি নিয়ন্ত্রণে রাখার উপায়গুলো নিচে সহজভাবে আলোচনা করা হলো:
কেন ঘন ঘন প্রস্রাব হয়?
ডায়াবেটিসে রক্তে শর্করার (গ্লুকোজ) মাত্রা যখন অনেক বেড়ে যায়, তখন শরীর সেই বাড়তি শর্করা প্রস্রাবের মাধ্যমে বের করে দেওয়ার চেষ্টা করে। একে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় 'অসমোটিক ডাইইউরেসিস' (Osmotic Diuresis) বলা হয়।
কিডনির বাড়তি চাপ: রক্তে অতিরিক্ত গ্লুকোজ থাকলে কিডনি তা ফিল্টার করতে হিমশিম খায়। তখন শরীর থেকে বাড়তি গ্লুকোজ বের করার জন্য কিডনি রক্ত থেকে প্রচুর পানি টেনে নিয়ে প্রস্রাবের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়।
শরীরের প্রতিরক্ষা: শরীর তার ভেতরকার অতিরিক্ত চিনি বের করে দেওয়ার একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া হিসেবেই প্রস্রাব তৈরির পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়, ফলে রোগীকে বারবার প্রস্রাব করতে হয়।
এটি কিভাবে রোধ বা নিয়ন্ত্রণ করা যায়?
এই সমস্যাটি মূলত ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের ওপর নির্ভর করে। রক্তে শর্করার মাত্রা ঠিক রাখতে পারলে প্রস্রাবের এই সমস্যা অনেকাংশেই কমে আসে।
১. রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ:
সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো নিয়মিত ওষুধ বা ইনসুলিন গ্রহণ করা এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্লাড সুগার লেভেল স্বাভাবিক সীমায় রাখা।
২. স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস:
শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ খাবার মেপে খান।
আঁশযুক্ত খাবার (শাক-সবজি, খোসাসহ ফলমূল) বেশি করে খান, যা রক্তে চিনি বাড়ার গতি ধীর করে দেয়।
মিষ্টি, প্রক্রিয়াজাত খাবার এবং অতিরিক্ত চিনিযুক্ত পানীয় পুরোপুরি এড়িয়ে চলুন।
৩. নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম:
প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট মাঝারি ধরনের ব্যায়াম (যেমন: দ্রুত হাঁটা) করুন। এটি শরীরের ইনসুলিনের কার্যকারিতা বাড়ায় এবং রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
৪. পর্যাপ্ত পানি পান:
ঘন ঘন প্রস্রাবের কারণে শরীর পানিশূন্য (Dehydration) হয়ে যেতে পারে। তাই সারাদিন প্রচুর পানি পান করুন। তবে রাতে প্রস্রাবের বেগ কমাতে ঘুমের অন্তত ২ ঘণ্টা আগে থেকে তরল জাতীয় খাবার খাওয়ার পরিমাণ কিছুটা কমিয়ে দিতে পারেন।
৫. ক্যাফেইন ও অ্যালকোহল পরিহার:
চা, কফি বা অ্যালকোহলযুক্ত পানীয় মূত্রাশয়কে উত্তেজিত করতে পারে, যা প্রস্রাবের বেগ বাড়ায়। এগুলো এড়িয়ে চলাই ভালো।
৬. নিয়মিত চেকআপ:
ডায়াবেটিসের কারণে কিডনির কোনো সমস্যা বা মূত্রনালীর সংক্রমণ (UTI) হয়েছে কি না তা নিশ্চিত হতে নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। অনেক সময় ডায়াবেটিসের কারণে মূত্রাশয়ের স্নায়ু দুর্বল হয়ে যেতে পারে, যার জন্য বিশেষ চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে।
সতর্কতা: যদি হঠাৎ প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া, প্রস্রাবে রক্ত আসা, তীব্র ব্যথা বা জ্বর অনুভব করেন, তবে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। এগুলো সংক্রমণ বা অন্য কোনো গুরুতর সমস্যার লক্ষণ হতে পারে।
2
আপনি কি সত্যিই টাকা উপার্জন করছেন, নাকি শুধু নিজের সময় বিক্রি করছেন?
একটি প্রশ্নই আপনার পুরো অর্থনৈতিক বাস্তবতা বদলে দিতে পারে।
আজ যদি আপনি আপনার চাকরি, ব্যবসা বা ফ্রিল্যান্সিং বন্ধ করে দেন, আগামী মাসেও কি আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা আসবে?
যদি উত্তর "না" হয়, তাহলে বাস্তবতা হলো আপনার এখনো কোনো ওয়েলথ নেই। আপনার আছে শুধু একটি ইনকাম সোর্স।
এই একটি পার্থক্যই পৃথিবীর ধনী এবং সাধারণ মানুষের জীবনকে দুই ভিন্ন পথে নিয়ে যায়।
অধিকাংশ মানুষ ইনকাম বাড়ানোর জন্য সারাজীবন কঠোর পরিশ্রম করে। কিন্তু খুব কম মানুষ এমন একটি সিস্টেম তৈরি করে, যেখানে টাকা নিজেই নতুন টাকা তৈরি করতে শুরু করে।
আর এখান থেকেই শুরু হয় ওয়েলথ ক্রিয়েশন।
১. পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী মানুষদের একটি মিল আছে, তারা সবাই কোনো না কোনো কিছুর মালিক
এক মুহূর্তের জন্য পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী মানুষদের কথা ভাবুন।
কেউ বিশাল বিজনেসের ওনার, কেউ হাজার কোটি টাকার ইনভেস্টমেন্ট পোর্টফোলিও পরিচালনা করেন, কেউ রিয়েল এস্টেট এম্পায়ার গড়েছেন, আবার কেউ এমন একটি রেয়ার স্কিল তৈরি করেছেন যার মূল্য কোটি কোটি টাকা।
খেয়াল করলে একটি বিষয় স্পষ্ট হয়ে যায়। তাদের আয়ের মূল উৎস তাদের শ্রম নয়, তাদের ওনারশিপ।
এখানেই অধিকাংশ মানুষ সবচেয়ে বড় ভুলটি করে। আমরা ছোটবেলা থেকেই শিখি ভালো পড়াশোনা করতে, ভালো চাকরি পেতে এবং একটি নিরাপদ স্যালারি নিশ্চিত করতে। কিন্তু খুব কম মানুষ শেখে কীভাবে এমন কিছু তৈরি করতে হয়, যা নিজের অনুপস্থিতিতেও আয় করতে পারে।
একজন এমপ্লয়ি নিজের সময় বিক্রি করেন।
একজন এন্ট্রেপ্রেনিউর একটি সিস্টেম তৈরি করেন।
একজন ইনভেস্টর ক্যাপিটাল ব্যবহার করে নতুন ক্যাপিটাল তৈরি করেন।
একজন অ্যাসেট ওনার এমন সম্পদের মালিক হন, যা প্রতিদিন তার জন্য কাজ করে।
এই চারটি স্তরের পার্থক্য বোঝা ছাড়া ফাইন্যান্সিয়াল ফ্রিডম সম্ভব নয়।
২. স্যালারি আপনাকে ধনী বানাতে পারে না, যদি না আপনি ওনারশিপ তৈরি করেন
এখানে একটি বিষয় পরিষ্কার করা জরুরি। চাকরি খারাপ নয়। ব্যবসাও সবার জন্য নয়। আসল বিষয় চাকরি বা ব্যবসা নয়।
আসল বিষয় হলো আপনার ইনকাম এর ক্যারেক্টার।
আপনার ইনকাম কি আপনার উপস্থিতির উপর নির্ভর করছে, নাকি আপনার তৈরি করা অ্যাসেট এর উপর?
ধরুন আপনি একজন দক্ষ সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। আপনি যতক্ষণ কাজ করবেন ততক্ষণ আয় করবেন। কাজ বন্ধ করলেই ইনকাম বন্ধ হয়ে যাবে।
অন্যদিকে একজন ব্যক্তি হয়তো দশ বছর আগে একটি সফটওয়্যার প্রোডাক্ট তৈরি করেছেন। আজও প্রতিদিন পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ সেটি কিনছে। তিনি ঘুমাচ্ছেন, ভ্রমণ করছেন কিংবা পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন, কিন্তু তার ক্যাশ ফ্লো বন্ধ হচ্ছে না।
এটাই অ্যাকটিভ ইনকাম এবং প্যাসিভ ইনকাম এর মধ্যে সবচেয়ে বড় পার্থক্য।
যতক্ষণ আপনার প্রতিটি টাকার জন্য নিজের সময় বিক্রি করতে হবে, ততক্ষণ আপনি ইনকাম আর্ন করছেন। কিন্তু যেদিন আপনার অ্যাসেট আপনার হয়ে আয় করতে শুরু করবে, সেদিন থেকে আপনি ওয়েলথ বিল্ড করা শুরু করবেন।
৩. পৃথিবীতে আসলে দুটি অর্থনীতি একসঙ্গে চলে
অধিকাংশ মানুষ এই বিষয়টি কখনো উপলব্ধিই করে না।
প্রথম অর্থনীতির নাম এমপ্লয়মেন্ট ইকোনমি। এখানে মানুষ নিজের সময় বিক্রি করে টাকা আয় করে।
দ্বিতীয় অর্থনীতির নাম ওনারশিপ ইকোনমি। এখানে মানুষ অ্যাসেট তৈরি করে, বিজনেস তৈরি করে, ইনভেস্টমেন্ট করে এবং ক্যাপিটালকে নিজের জন্য কাজ করায়।
বেশিরভাগ মানুষ প্রথম অর্থনীতিতে জন্মায়, পড়াশোনা করে এবং সারা জীবন সেখানেই থেকে যায়। অন্যদিকে ধনী মানুষ ধীরে ধীরে দ্বিতীয় অর্থনীতিতে প্রবেশ করে।
এই কারণেই একই স্যালারি থাকা দুই ব্যক্তির ফাইন্যান্সিয়াল ফিউচার সম্পূর্ণ ভিন্ন হতে পারে।
৪. ২৫ শতাংশ রুল আসলে ইনভেস্টমেন্ট রুল নয়, এটি একটি আইডেন্টিটি রুল
২৫% রুল হল, আপনার ইনকামের ২৫% ইনভেস্টমেন্ট করা। অনেকেই মনে করেন এই নিয়ম শুধু বাজেট ম্যানেজমেন্ট শেখায়। আসলে বিষয়টি তার চেয়েও গভীর।
এই রুল আপনাকে একটি নতুন পরিচয় দেয়। আপনি আর শুধু একজন কনজিউমার থাকেন না। আপনি ধীরে ধীরে একজন ওনার হয়ে ওঠেন।
প্রথম ২৫ শতাংশ ইনকাম এর উদ্দেশ্য টাকা জমিয়ে রাখা নয়। এর উদ্দেশ্য এমন অ্যাসেট তৈরি করা, যা ভবিষ্যতে আপনার জন্য ইনকাম জেনারেট করবে।
এই অ্যাসেট হতে পারে একটি ইনডেক্স ফান্ড, একটি বিজনেস, একটি ডিজিটাল প্রোডাক্ট, একটি হাই ইনকাম স্কিল অথবা এমন একটি নলেজ বেস, যার মাধ্যমে আপনি ভবিষ্যতে আরও বেশি আয় করতে পারবেন।
এক কথায়, এই ২৫ শতাংশ আপনার ভবিষ্যতের ইনভেস্টমেন্ট। আজ আপনি তাকে টাকা দিচ্ছেন। আগামী দশ বছর পরে সেই অ্যাসেট আপনাকে টাকা দেবে।
৫. কম্পাউন্ড গ্রোথ হলো পৃথিবীর সবচেয়ে অবমূল্যায়িত ফাইন্যান্সিয়াল সুপারপাওয়ার
ধরুন দুইজন কৃষক একই জমিতে চাষ শুরু করলেন।
প্রথম কৃষক আজই একটি আমগাছ লাগালেন। দ্বিতীয় কৃষক ভাবলেন, "আরও দশ বছর পরে লাগাব। তখন একসঙ্গে অনেকগুলো লাগাব।"
দশ বছর পরে দ্বিতীয় কৃষক সত্যিই অনেক বেশি গাছ লাগালেন। কিন্তু ততদিনে প্রথম কৃষকের গাছ শুধু বড়ই হয়নি, ফল দেওয়াও শুরু করেছে। সেই ফল থেকে নতুন চারা হয়েছে। নতুন চারাগুলোও বড় হচ্ছে।
দেখতে গেলে দ্বিতীয় কৃষক হয়তো বেশি পরিশ্রম করেছেন। কিন্তু প্রথম কৃষক সময়কে নিজের পক্ষে কাজ করিয়েছেন।
ইনভেস্টমেন্ট ঠিক এমনই। কম্পাউন্ড গ্রোথ কখনো টাকাকে পাত্তা দেয় না। । সে সময়কে পাত্তা দেয়।
এই কারণেই ২০ বছর বয়সে করা ছোট একটি ইনভেস্টমেন্ট অনেক সময় ৩০ বছর বয়সে করা বড় ইনভেস্টমেন্ট এর চেয়েও বেশি সম্পদ তৈরি করে। ফাইন্যান্সিয়াল ওয়ার্ল্ড এ সবচেয়ে দামি জিনিস টাকা নয়। সবচেয়ে দামি জিনিস হলো টাইম।
৬. সবচেয়ে বড় ভুল, মানুষ ইনভেস্টমেন্ট শুরু করার আগে অনেক টাকা জমার অপেক্ষা করে
এই মানসিকতা হাজার হাজার মানুষের ফাইন্যান্সিয়াল জার্নি শুরু হওয়ার আগেই শেষ করে দেয়।
মানুষ ভাবছে, "যখন মাসে এক লাখ টাকা আয় করব, তখন ইনভেস্টমেন্ট শুরু করব।" বাস্তবে তখনও নতুন একটি নতুন অজুহাত তৈরি হবে টাকা না জমানোর।
বেশি ইনকাম মানেই বেশি ইনভেস্টমেন্ট নয়। কারণ ইনকাম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে লাইফস্টাইলও বাড়তে থাকে। এটাকেই বলা হয় লাইফস্টাইল ইনফ্লেশন।
আজ যে মানুষ ৩০ হাজার টাকায় চলতে পারে, অনেক সময় তিন লাখ টাকা আয় করেও মাস শেষে একইভাবে শূন্য হয়ে যায়। কারণ সমস্যা ইনকাম এর নয়, সমস্যা ফাইন্যান্সিয়াল বিহেভিয়ার এর।
যারা ওয়েলথ বিল্ড করে, তারা ইনকাম বাড়ার আগেই এই জমানোর হ্যাবিট তৈরি করে।
৭. তাহলে প্রথম ২৫ শতাংশ কোথায় ইনভেস্টমেন্ট হিসাবে যাবে?
এখানে একটি বিষয় পরিষ্কার থাকা দরকার। সব ইনভেস্টমেন্ট সমান নয়। যে ইনভেস্টমেন্ট আপনাকে রাতে ঘুমাতে দেয় না, সেটি দীর্ঘমেয়াদে ভালো ইনভেস্টমেন্ট নয়। কারন আপনি নিজেকে সেই ইনভেস্টমেন্ট এ রিক্স ফ্রি করতে পারেন নি।
প্রথম ধাপে লো কস্ট ইনডেক্স ফান্ড দীর্ঘমেয়াদে একটি শক্তিশালী ফাউন্ডেশন তৈরি করতে পারে। এর পাশাপাশি নিজের স্কিল এ ইনভেস্টমেন্ট করা এমন একটি সিদ্ধান্ত, যার রিটার্ন অনেক সময় স্টক মার্কেট এর চেয়েও বেশি হয়। কারণ স্কিল শুধু ইনকাম বাড়ায় না, ভবিষ্যতের অপরচুনিটিও বাড়ায়।
এরপর ধীরে ধীরে বিজনেস, রিয়েল এস্টেট কিংবা অন্যান্য অ্যাসেট ক্লাস এ ডাইভার্সিফাই করা যেতে পারে।
যারা শুরুতেই দ্রুত ধনী হওয়ার লোভে সব টাকা হাই রিস্ক অ্যাসেট এ বিনিয়োগ করেন, তারা সাধারণত ওয়েলথ তৈরি করার আগেই ক্যাপিটাল হারিয়ে ফেলেন।
ওয়েলথ ক্রিয়েশন কখনো স্প্রিন্ট নয়। এটি একটি ম্যারাথন। যে ব্যক্তি ধারাবাহিকভাবে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারে, শেষ পর্যন্ত সম্পদ তার দিকেই এগিয়ে আসে।
আজই নিজের ইনকাম কোথাও লিখুন এবং একটি প্রশ্ন করুন, "আমার আয়ের কত শতাংশ আগামী পাঁচ বছর পরও আমার জন্য কাজ করবে?"
আজ থেকেই ২৫ শতাংশ গ্রোথ ফান্ড তৈরি করার পরিকল্পনা করুন। অল্প দিয়ে শুরু করুন, কিন্তু ধারাবাহিকতা বজায় রাখুন। ফাইন্যান্সিয়াল ফ্রিডম বড় সিদ্ধান্তের ফল নয়; এটি ছোট কিন্তু নিয়মিত সিদ্ধান্তের সমষ্টি।
ধনী মানুষ বেশি টাকা আয় করে বলে ধনী হয় না। তারা ধনী হয় কারণ এক সময় তাদের টাকা তাদের হয়ে কাজ করা শুরু করে। প্রশ্ন হলো, আপনার টাকা আজ কার হয়ে কাজ করছে?
3