প্রতিযোগিতার "১৫০ শিষ্টাচারের" পূর্ণাঙ্গ পাঠ পেতে এখানে ক্লিক করুন
যারা প্রতিযোগিতা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে গেছেন, তারা Weekly happy chatter সাপ্তাহিক আনন্দের আড্ডায় প্রবেশ করুন অথবা নিজের বর্তমান মাসে ক্লিক করে প্রয়োজনীয় গ্যালারিতে প্রবেশ করুন।
যারা বর্তমানে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে প্রস্তুত, তারা নিচের নিয়ম-কানুন পড়ুন-
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম ...........................................................................পরীক্ষার তারিখ......................................................................... সময়: সকাল ১০ টা থেকে ১২টা পর্যন্ত । শ্রেণি ভেদে ৫মিনিট থেকে ১৫ মিনিট নির্ধারিত সময় দেয়া থাকবে। পরীক্ষা দেয়ার লিংক--(পরীক্ষার সময়কালে এখানে লিঙ্ক থাকবে) ---
অনলাইনের এ পরীক্ষা কি রকম হতে পারে, এই অভিজ্ঞতা অর্জন ও চর্চার জন্য ডামি লিংক-https://form-timer.com/start/42572929
“ট্যালেন্ট হাব” একটি নির্দলীয়, অসাম্প্রদায়িক এবং কল্যাণমুখী শিক্ষা উদ্যোগ। যার লক্ষ্য একটি বিজ্ঞানমনস্ক, মানবিক ও নৈতিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ প্রজন্ম গড়ে তোলা। এতে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও সচেতন নাগরিকরা একটি সম্মিলিত পরিবার হয়ে নিজেদেরকে এবং নতুন প্রজন্মকে মেধাবী, দক্ষ, যোগ্য ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলে । এর অন্তর্ভুক্ত হতে প্রথমে গুড ম্যানার্স-১৫০ প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে হয়।
কারা অংশ নিতে পারবেন:
১ম ক্যাটাগরি: প্রথম শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী(সমমান) ও তাদের বাবা/মা বা অভিভাবক(১জন)।
২য় ক্যাটাগরি: ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী(সমমান) ও তাদের বাবা/মা বা অভিভাবক (১জন)।
৩য় ক্যাটাগরি: একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী থেকে অনার্স-মাস্টার্স শ্রেণির শিক্ষার্থী (সমমান)।
৪র্থ ক্যাটাগরি: অনূর্ধ্ব ৪৫ বছরের সকল পেশাজীবী নারী-পুরুষ।
৫ম ক্যাটাগরি: মধ্যবয়সী ৪৫ থেকে শত বছর বয়সি সকল সিনিয়র সিটিজেন।
১৫০টি গুড ম্যানার্স, কারা কতটুকু পড়বেন?
প্রথম শ্রেণির জন্য প্রথম ৫টি, দ্বিতীয় শ্রেণির জন্য প্রথম ১০টি, তৃতীয় শ্রেণির জন্য প্রথম ১৫টি, চতুর্থ শ্রেণির জন্য প্রথম ২০টি, পঞ্চম শ্রেণির জন্য প্রথম ২৫টি, ষষ্ঠ শ্রেণির জন্য প্রথম ৩০টি, সপ্তম শ্রেণির জন্য প্রথম ৪০টি, অষ্টম শ্রেণির জন্য প্রথম ৫০টি, নবম শ্রেণির জন্য প্রথম ৬০টি, দশম শ্রেণির জন্য প্রথম ৭০টি, একাদশ শ্রেণির জন্য প্রথম ৮৫টি, দ্বাদশ শ্রেণির জন্য প্রথম ১০০টি, অনার্স প্রথম শ্রেণির জন্য প্রথম ১১০টি, অনার্স দ্বিতীয় শ্রেণির জন্য প্রথম ১২০টি, অনার্স তৃতীয় শ্রেণির জন্য প্রথম ১৩০টি, মাস্টার্স শ্রেণির জন্য প্রথম ১৫০টি অর্থাৎ সকল প্রশ্ন-উত্তর প্রযোজ্য হবে। নবম শ্রেণি থেকে অনলাইনে পরীক্ষা দেয়া বাধ্যতামূলক। একটি ডিভাইজ থেকে একাধিকজন অংশগ্রহন করা যাবে।
১৫০টি গুড ম্যানার্স, কারা কতটুকু উত্তর দিবেন?
প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী উত্তর দিবে প্রথম ২টি প্রশ্নের , দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী উত্তর দিবে প্রথম ৪টি, তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী উত্তর দিবে প্রথম ৬টি, চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী উত্তর দিবে প্রথম ৮টি, পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী উত্তর দিবে প্রথম ১০টি, ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী উত্তর দিবে প্রথম ১২টি, সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী উত্তর দিবে প্রথম ১৪টি, অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী উত্তর দিবে প্রথম ১৬টি, নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী উত্তর দিবে প্রথম ১৮টি, দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী উত্তর দিবে প্রথম ২০টি, একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী উত্তর দিবে প্রথম ২২টি, দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী উত্তর দিবে প্রথম ২৪টি, অনার্স প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী উত্তর দিবে প্রথম ২৬টি, অনার্স দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী উত্তর দিবে প্রথম ২৮টি, অনার্স তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী উত্তর দিবে প্রথম ৩০টি, মাস্টার্স শ্রেণির শিক্ষার্থী উত্তর দিবে সকল প্রশ্ন-এর। সকল শ্রেণির অনলাইনে পরীক্ষা দেয়া বাধ্যতামূলক। একটি ডিভাইজ (কম্পিউটার, লে্পটপ, ট্যাব, মোবাইল) থেকে একাধিকজন অংশগ্রহন করা যাবে, এ ক্ষেত্রে ছোটরা আগে উত্তর করবে।
নোটঃ~প্রতিযোগিতায় কম নাম্বার পাওয়া বা অসফল হওয়া মানে এই নয় যে, আপনি প্রতিযোগিতা থেকে বাদ পড়ে গেলেন। আপনি পুনরায় প্রস্তুতি নিয়ে যে-কোন সময় আবারো পরীক্ষা দিতে পারবেন। অনলাইনে পরীক্ষা দেবার পর পরই অটোমেটিকভাবে ডিজিটাল রেজাল্ট পেয়ে যাবেন।
সতর্কতা: কো্নো অবস্থায় অনলাইনে একজনের পরীক্ষা আরেকজন দিতে চেষ্টা করবেন না। মৌখিক পরীক্ষা এবং পরবর্তী ধাপে অবশ্যই তা ধরা পড়বে। কোমলমতি শিশুদের নৈতিকতা ও দক্ষতা গঠনে আপনি সার্বিকভাবে সহযোগিতা করুন ; অনৈতিকতা ও চুরি-বিদ্যা শিখিয়ে তাদের ধ্বংস করবেন না। আপনার বা আপনার প্রিয়জনের প্রতিভাকে চেপে রেখে কিংবা না-পারা বিলাপকারীদের ভিড়ে টেলে দিয়ে, ভিতরের কোয়ালিটি শেষ করে দিবেন না। সবাই নয়, কাউকে না কাউকে জিনিয়াস হয়ে অন্ধকার পেরিয়ে আলোতে আসতে হবে; এই সমাজ, এই দেশ নতুন করে গড়ার জন্য।
পুরস্কার
সকল কৃতি অংশগ্রহণকারী পাবেন গুড ম্যানার্স সার্টিফিকেটসহ আকর্ষণীয় পুরস্কার । এছাড়া প্রত্যেক শ্রেণির সেরা ৫ জন পাবেন সুনাগরিক অ্যাওয়ার্ড-২৬,
১৫০টি গুড ম্যানার্স পাঠ্য লিংক:
প্রতিযোগিতার পূর্ণাঙ্গ পাঠ নিতে " ডাউনলোড@” বা টেক্সট www.sunagorik.net/a
আর ক্যাটাগরি অনুযায়ী লিংক ক্লিক ।
১) প্রথম শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণি (সমমান) www.sunagorik.net/1
২) ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণি (সমমান) www.sunagorik.net/4
৩) একাদশ থেকে অনার্স (সমমান) www.sunagorik.net/2
৩ক) মাস্টার্স (সমমান) www.sunagorik.net/3
৪) অনূর্ধ্ব ৪৫ বছরের সকল পেশাজীবী www.sunagorik.net/5
৫) ৪৬ থেকে ১০০ বছরের সিনিয়র সিটিজেন www.sunagorik.net/000
“ট্যালেন্ট হাব” কি ও কেন?
“ট্যালেন্ট হাব” কোনো সংগঠন নয়; এটি একটি আত্মউন্নয়নমূলক ‘প্রশিক্ষণ প্ল্যাটফরম’। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মেধাবী, আত্ম উদ্যোগী ও সম্ভাবনাময় শিক্ষার্থীদেরকে সঙঘবদ্ধ করে, নৈতিকতা, আদব-কায়দা, রুচি, খাদ্যাভ্যাস থেকে শুরু করে সকল ইতিবাচক লাইফস্ট্যাইল পরিবর্তনের আঁতুড়ঘর এটি। আর ‘সুনাগরিক সংঘ’ হচ্ছে - এ ‘ট্যালেন্ট হাব’ পরিচালনায় তথ্যউপাত্ত ও আর্থিক অনুদানসহ সকল প্রকার সহযোগিতাকারী সেবা সংঘ। ‘ট্যালেন্ট হাব একটি লাইফ চেঞ্জিং সুযোগ, ‘পাওয়ারফুল এডুকেশন’ 'এ্যাথিক্যাল প্র্যাকটিস' ‘ক্রিটিক্যাল থিংকিং ’ এবং ‘সফট স্কিল ’ অর্জনের একটি প্লাটফর্ম; যাতে জাপানি মডেলে শিক্ষার্থীদেরকে আত্মবিশ্বাসী, দক্ষ এবং আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত করা হয়। যেমন-Public Speaking, Social Skills, Self-Defense, Problem Solving, Managing Emotions, Social Media Awareness-সহ সবকিছু; যা একজন শিক্ষার্থীর সফল ও সার্থক ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে সাহায্য করবে। 'এ লক্ষ্যে ‘সুনাগরিক অ্যাওয়ার্ড’-এর মতো বিশেষ কর্মসূচির মধ্য দিয়ে মেধাবী ও উৎসাহী শিক্ষার্থীদের বাছাই করা হয়। তারপর ৫টি ধাপে তাদের শিক্ষণ ও প্রশিক্ষণ প্রক্রিয়া চলমান থাকে। এই ট্যালেন্ট হাব পরিচালনা করেন অত্র স্কুল-কলেজের এক বা একাধিক মেধাবী শিক্ষক।
উদ্দেশ্য: দেখুন বাড়ির চারপাশে ময়লার স্তুপ তৈরি হলে, সেখান থেকে যেমন সুগন্ধি আশা করা যায় না; তেমনি আপনার চারপাশে অশিক্ষা ও কুশিক্ষার কারণে খারাপ আচরণ, জঘন্য কাজ এমনকি জটিল সমস্যা প্রতিনিয়তই তৈরি হচ্ছে। কারণ, মস্তিষ্ককে বাদ দিয়ে শরীরের চর্চা করে ও ভাল খেয়ে আমরা শারীরিকভাবে শক্তিশালী হতে পারি কিন্তু মেধায় দুর্বল হবো, এটাই বাস্তবতা। এতে শক্তিশালী ও উশৃংখল মানুষ পাওয়া যাবে কিন্তু জ্ঞানভিত্তিক সমাজ কখনো নয়। তাই মেধাগত শিক্ষা ও দক্ষতার উন্নয়ন বাদ দিয়ে সকল সংস্কার ও উন্নয়ন মূলত অকার্যকর। কিন্তু এ বিশাল কাজ রাষ্ট্র একা সুচারুভাবে সম্পন্ন করতে পারে না। দরকার হয় সামাজিক শক্তির অংশগ্রহণ। এ দায় সমাজের এগিয়ে থাকা সকল মানুষের। যদি আমরা কিছু মেধাবীদেরকে আলোকিত করতে পারি এবং এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে পারি; তাহলে এ পরিবেশ স্ফুলিঙ্গের মতো দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে একটি সুখী ও সমৃদ্ধ পরিবার, সমাজ তথা রাষ্ট্র পাওয়া সম্ভব। অতএব, আপনার ও আপনার পরিজনদের প্রতিভাকে বিকাশের জন্য এটি একটি বড় সুযোগ।
পরিচালনা পদ্ধতি: ট্যালেন্ট হাব-এর নীতিমালা ও পরিচালনা পদ্ধতিসহ সকল কর্মকান্ড লিংক-https://www.sunagorik.net/hub
এই প্রতিযোগিতার ৫টি স্তর
চলমান এই প্রক্রিয়ায় আছে ৫টি স্তর। প্রতিটি স্তরেই আছে আকর্ষণীয় পুরস্কার। তবে শিক্ষার্থীর ইচ্ছা করলে যে-কোন ধাপে সাময়িক বা স্থায়ী বিরতি নিতে পারেন। অর্থাৎ প্রক্রিয়া সমাপ্ত করার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।
প্রথম স্তর:
নৈতিকতা ও আদব কায়দা নিয়ে তরুণ সমাজ ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে একটি প্রতিযোগিতামূলক প্রশ্নোত্তরের আয়োজন করা। এই প্রশ্নোত্তর প্রতিযোগিতার উত্তীর্ণ হওয়ার পর শিক্ষার্থীদের কাজ হচ্ছে ১০ থেকে ২০ জনের এক একটি “ ট্যালেন্ট হাব" বা তাদের নিজ নিজ এলাকা/ইউনিয়ন/শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা প্রায় গ্রহণযোগ্য পছন্দসই কোনো নামে একটি "হাব" গঠন করা। এটি অনেকটা জাপানের 'মোয়াই' (Moai) -ক্লাবের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। যাকে শিক্ষার্থীদের দ্বিতীয় পরিবার এবং "একসাথে পথ চলার"-র লাইফস্টাইল বলা যায়। এখানে সদস্যরা সপ্তাহে ছুটির দিনে একত্রিত হন—জ্ঞানচর্চা করেন, দক্ষতার বিকাশে প্রশিক্ষণ নেন, আড্ডা দেন, খাবার থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত সমস্যা ও আনন্দ ভাগাভাগি করেন। এর সদস্যরা একে অপরের প্রয়োজন অনুসারে সামাজিক, মানসিক, স্বাস্থ্যগত এবং এমনকি আর্থিক সমর্থন প্রদান করে। সদস্যরা প্রতি মাসে একটি ক্ষুদ্র চাঁদা জমা করেন। যা দিয়ে উৎসব, খেলাধুলা, প্রতিযোগিতা আয়োজন ও বিভিন্ন লাভজনক কাজে বিনিয়োগ বা সদস্যদের মধ্যে যার যখন আর্থিক সহায়তা প্রয়োজন হয়, তখন তাকে দেয়া হয়।
দ্বিতীয় স্তর:
প্রতি সপ্তাহে্র ছুটির দিনে একটি নির্দিষ্ট স্থানে একত্রিত হয়ে একটি গোল পাঠচক্র বৈঠকে করা। যাতে সুনির্দিষ্ট কিছু শিক্ষা, দক্ষতা, ইতিহাস,ভূগোল, বিজ্ঞান ও স্বাস্থ্য বিষয়ক কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিয়ে জ্ঞানচর্চা করা হয়। ৪ থেকে ৬ সপ্তাহের পাঠচক্রের অর্জিত জ্ঞান ও শিক্ষা নিয়ে দ্বিতীয় ধাপের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে হয়। প্রতিটি ধাপের সিলেবাস ও পাঠ্য লিংক-www.sunagorik.net/0
তৃতীয় স্তর:
দ্বিতীয় ধাপের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর পরবর্তী ৮ থেকে ১০ সপ্তাহের পাঠচক্রে অর্জিত জ্ঞান ও শিক্ষা নিয়ে তৃতীয় ধাপের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করার আগে কয়েকটি শিক্ষার্থীদের ক্লাব একত্রিত হয়ে একটি দুই দিনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচির বা Tp(Training program) আয়োজন করা হয়। যেখানে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় কমিউনিকেশন স্কিল বাড়ানো, কথা বলার দক্ষতা বৃদ্ধি, বহুমুখী দক্ষতা অর্জন, শরীর ফিটনেস ধরে রেখে জীবন উপভোগ ইত্যাদি বিষয়ে । প্রশিক্ষণ শেষে পরীক্ষার আয়োজন করা হয়।
চতুর্থ স্তর:
তৃতীয় ধাপের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর ১২ থেকে ১৬ সপ্তাহের পাঠচক্রে অর্জিত জ্ঞান ও শিক্ষা নিয়ে চতুর্থ ধাপের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে হয়। এ প্রতিযোগিতার অংশ হিসেবে "হলিডে ক্যাম্পিং" করতে হয়। হলিডে ক্যাম্পিং হলো খোলা প্রাকৃতিক পরিবেশে বা অন্য অস্থায়ী আশ্রয়স্থলে সারাদিনের একটি বিনোদনমূলক ভ্রমণ ও শিক্ষামূলক কার্যকলাপ। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের সময়ে কিংবা জাতীয় ছুটির দিনগুলিতে এক বা একাধিকবার ক্লাবভুক্ত শিক্ষার্থীদের নিয়ে ১,২,৩ বা ৫ দিনের হলিডে ক্যাম্পিং-এর বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজন করা হয়।
পঞ্চম স্তর:
চতুর্থ ধাপের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর সামাজিক নেতৃত্বদানের জন্য জ্ঞান, প্রজ্ঞা, যোগ্যতা ও দক্ষতার চর্চার ধারাবাহিকতা বৃদ্ধি করতে শিক্ষার্থীদেরকে স্টারে ভূষিত করা হয়। যিনি ১০০টি বিষয় নিয়ে ভালো বলতে পেরেছে এবং যার কমিউনিকেশন স্কিল মোটামুটি প্রাথমিক লেভেল অতিক্রম করবে, তাকে ওয়ান স্টার। আবার যিনি ২০০বিষয় নিয়ে ভালো বলতে পারে এবং যার কমিউনিকেশন স্কিল আর একটু ভাল, তাকে টু স্টার। এভাবে ক্রমান্বয়ে ৫স্টারে শিক্ষার্থীকে ভূষিত করা হয়। এই স্টার হবার প্রয়োজনীয় জ্ঞান, দক্ষতা ও যোগ্যতা তৈরির যাবতীয় তথ্যাবলীর প্রতি মাসে ৮টি গ্যালারীতে থাকে, আমাদের ওয়েবে মাসের নামে ক্লিক করলে এটি পাওয়া যায়।যেমন- www.sunagorik.net/January
প্রতি সপ্তাহে ছুটির দিনে গোলবৃত্ত বৈঠক
সম্প্রতি এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, শহরের ৭০ শতাংশ তরুণ তাদের পাশের ফ্ল্যাটে কে থাকে, সেটা জানে না। একই সঙ্গে গ্রামের তরুণ প্রজন্মের অনেকেই স্থানীয় মেলা, নাটক বা পালাগানে আগ্রহ দেখায় না। তারা সময় কাটায় মূলত মোবাইলে ফান ভিডিও, টিভি সিরিজ কিংবা সোশ্যাল মিডিয়ায়। অর্থাৎ, মানুষ যত আধুনিক হচ্ছে, ততই বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে নিজের সমাজ থেকে। ফলে আমাদের সভ্যতা, আবেগ-অনুভূতি, সৌজন্যতা-সম্প্রীতি সব কিছু ধ্বংসের দিকে চলে যাচ্ছে।
এ পরিবর্তনের পেছনের বড় কারণ প্রথমত নগরায়ণ, যা মানুষের জীবনকে ছোট ছোট ফ্ল্যাটে আটকে ফেলেছে। একসময় গ্রামের যে উঠোনে বা কাচারী ঘরে একসঙ্গে খাওয়া-দাওয়া-আড্ডা হতো, সেখানে একত্রিত হবার সময় কেড়ে নিয়েছে প্রযুক্তি। চ্যাটিং আর ভিড়িও কলিং মানুষকে বাস্তবের আড্ডা থেকে সরিয়ে নিয়ে গেছে ভার্চুয়াল জগতে। দ্বিতীয়ত, সমাজে বেড়েছে প্রতিযোগিতা। আজকাল অর্থনৈতিক লড়াইয়ের কারণে মানুষ পাশের লোকটিকে তার প্রতিদ্বন্দ্বী মনে করে। ফলে মানুষ আত্মকেন্দ্রিক হয়ে পড়েছে। তার উপর পাড়া-মহল্লার ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠানগুলো হারিয়ে গেছে। মেলা, যাত্রাপালা, গান, গাজন—যেসব সামাজিক আয়োজন মানুষকে এক করত, সেগুলো এখন নাই। তাছাড়া, অভিভাবকরা নিরাপত্তার অজুহাতে সন্তানদের বাইরে খেলতে দিতে চান না। ফলে শিশুদের মধ্যে যে বন্ধুত্ব,সহমর্মিতা ও ভাতৃত্ববোধ গড়ে উঠত, তা আর হচ্ছে না।
এ সংকটের স্থায়ী সমাধান হচ্ছে, স্কুল-কলেজে পাড়াভিত্তিক 'সাংস্কৃতিক হাব গড়ে তোলা। যাতে শিক্ষার্থী, যুব সমাজ সপ্তাহে ১দিনের কিছুটা সময় একটি গোল বৈঠকে পরস্পরের সাথে জ্ঞান, তথ্য, বিনোদন ও বিভিন্ন অনুভূতি শেয়ার করতে পারে। মুসলিম স্বর্ণযোগে জ্ঞান চর্চার ক্ষেত্রে এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হতো। ইউরোপীয়রা বহু শতাব্দী ধরে এই পদ্ধতি ব্যবহার করেছে। বর্তমান পুঁজিবাদী ব্যবস্থার কারণে কারখানার শ্রমিক ক্যানভাসের আদলে শিক্ষা কার্যক্রম প্রচলিত হয়েছে। প্রতিসপ্তাহে ছুটির দিনে গোলবিত্ত বৈঠক সম্পর্কে বিস্তারিত লিংক-https://www.sunagorik.net/weekend
হলিডে ক্যাম্পিং
একাধীক শিক্ষার্থী নিয়ে/মিলে বিভিন্ন শিক্ষা সফরের আয়োজন করা হলেও দুই/তিন মাস পর পর হলিডে ক্যাম্পিং করতে হবে। হলিডে ক্যাম্পিং হলো খোলা প্রকৃতির মাঝে বা শহরের বাইরে, পাহাড়, সমুদ্র বা জঙ্গলের মতো প্রাকৃতিক পরিবেশে তাঁবু বা অন্যান্য অস্থায়ী আশ্রয়স্থলে দিন বা রাত কাটানোর একটি বিনোদনমূলক ও শিক্ষামূলক কার্যকলাপ। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের সময়ে কিংবা জাতীয় ছুটির দিনগুলিতে প্রতিবছর এক বা একাধিকবার ক্লাবভুক্ত শিক্ষার্থীদের নিয়ে ১,২,৩,৫ বা ৭দিনের হলিডে ক্যাম্পিং-এর বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মফল আয়োজন করা হবে। অত্যন্ত কম বাজেটে ছুটির শিক্ষা সফর হবে এটি।
এই সফরে শিক্ষার্থীদেরকে এমন একটি পরিস্থিতিতে ফেলা হয়, যেখানে তাকে একজন অতি দরিদ্র ব্যক্তি হিসাবে এক বা একাধিক দিন বেঁচে থাকতে হয়। খাবারের কষ্ট, থাকার কষ্টসহ একজন অভাবগ্রস্থ ব্যক্তি্র প্রতিদিন কি অবস্থার মধ্য দিয়ে দিন-রাত কাটে, তা শিক্ষার্থীকে যাপিত জীবন যাপনের মাধ্যমে ভোগ করতে হয়। কিন্তু গরিব হলেও তার আচরণ যদি আদর্শবান, দৃঢ় প্রত্যয়ী ও সুখী মানুষের মতো বজায় থাকে, তবেই সে উপযুক্ত সার্টিফিকেট পাবে; যা তার অহংকার হিসেবে ড্রয়িং রুমে ঝুলিয়ে রাখবে। মুলত অর্থের প্রকৃত মূল্য শেখানো, প্রযুক্তিহীন আগেকার মানুষ ও অসহায় মানুষের জীবন যাপনকে উপলব্দি, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি, মানসিক দৃঢ়তা ও ধৈর্যশীলতার মূল্যায়ন, প্রকৃতিকে উপলব্ধি ও একাত্মকরণ, গ্রুপ ডিসকাশন ও শেয়ারিং এর গুরুত্ব উপলব্ধি, বেঁচে থাকার সংগ্রামে তাকে সম্পৃক্তকরণ ইত্যাদি এই হলিডে ক্যাম্পিংয়ের মূল উদ্দেশ্য।
প্রথম হলিডে ক্যাম্পিং-এর উল্লেখযোগ্য কিছু প্রতিযোগিতা
শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন কর্মকান্ডের সাথে সম্পৃক্ত করতে ও উৎসাহ দিতে নানা কর্মশালারও আয়োজন করা হয় হলিডে ক্যাম্পিং-এ। যেমন-
১) ময়লা কুড়ানোর প্রতিযোগিতা 'স্পোগোমি গেম’ : শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিচ্ছন্নতা, পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে ময়লা কুড়ানোর প্রতিযোগিতা 'স্পোগোমি গেম’ ‘এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ওয়েস্ট সেগ্রিগেশন বা বর্জ্য পৃথক করা শিখবে। ছোটবেলে থেকেই যদি তাদের মধ্যে এই অভ্যাস গড়ে ওঠে, তাহলে তাদের হাত ধরেই একটি পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা সম্ভব হবে। ময়লা কুড়ানোর এই প্রতিযোগিতায় অনেকগুলি দলে বিভক্ত হয়ে শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। প্রতিযোগিতায় বর্জ্যকে চারটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়- বার্নেবল, নন-বার্নেবল, প্লাস্টিক বোতল এবং সিগারেট ওয়েস্ট। প্রতিটি ক্যাটাগরির জন্য আলাদা পয়েন্ট নির্ধারণ করা হয় এবং সর্বোচ্চ পয়েন্ট অর্জনকারী দলকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা ময়লা সংগ্রহের জন্য ৩০ মিনিট এবং বর্জ্য পৃথকীকরণের জন্য ২০ মিনিট সময় পান। অনুষ্ঠানে রেফারির দায়িত্ব পালন করছিলেন পরিচালক ।
২) পরিবেশ ও প্রকৃতিকে সংরক্ষণ: রাস্তার পাশে বা পরিত্যক্ত স্থানে গাছ লাগানো এবং সেগুলোর নিয়মিত পরিচর্যা করা। আহত বন্যপ্রাণী উদ্ধার, পুনর্বাসন এবং তাদের আবাসস্থল রক্ষায় কাজ করা, পরিবেশ দূষণ, জলবায়ু পরিবর্তন ধূমপান বা প্লাস্টিকের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে অন্যদের সচেতন করার জন্য প্লে-কার্ড , ফেস্টুন , ব্যানার বহন করা বা মানববন্ধন করা, লিফলেট বিতরণ করা; এলাকার নির্দিষ্ট কোনো পরিবেশগত সমস্যা যেমন: খাল দূষণ বা ভাঙ্গা রাস্তা মেরামত করা ইত্যাদি অসংখ্য কর্মযজ্ঞ পরিচালকের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সুচারুভাবে করতে হয়। পরিশ্রম বুদ্ধিমত্তা ও দক্ষতার উপর দেয়া হয় পুরস্কার।
৩) নিরাপদ খাদ্য শৃঙ্খলা Safe Food Chain : HACCP (হ্যাসেপ): বা Hazard Analysis and Critical Control Points -এর মাধ্যমে খাদ্যের জৈবিক, রাসায়নিক ও শারীরিক ঝুঁকিগুলো শনাক্ত করে তা নিয়ন্ত্রণের কৌশল আয়ত্ত করতে শেখানো হয় ; খাবার নিরাপদ রাখার জন্য নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় (যাকে 'Danger Zone' বলা হয় তার বাইরে) সংরক্ষণ এবং সঠিকভাবে গরম বা ঠান্ডা করার পদ্ধতি শিখতে হয় ; কম খরচে সহজ উপায়ে পানি পরিশোধনের পদ্ধতি, রান্নাঘর, বসতবাড়ী ও কারখানায় পোকা-মাকড় বা ইঁদুরের উপদ্রব রোধ এবং বর্জ্য নিষ্কাশনের বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি শিখতে হয় এবং প্রশিক্ষণ শেষে নিরাপদ খাদ্য শৃঙ্খলার একটা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
৪) দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বা মক ড্রিল (Mock Drill): মক ড্রিল হলো কোনো বিশেষ জরুরি বা দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতি (যেমন- আগুন, ভূমিকম্প, বা সন্ত্রাসী হামলা) মোকাবিলার জন্য একটি পূর্বপরিকল্পিত মহড়া করা। উপযুক্ত প্রশিক্ষণ শেষে মহড়া আয়োজন করে ভালো ফলাফলকারীদের পুরস্কৃত করা হয়।
৫) “নলেজ নকআউট সিজন-১,২,৩” কুইজ প্রতিযোগিতা: “এটি শুধুমাত্র একটি কুইজ প্রতিযোগিতা নয়, বরং শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, মানসিক দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির জন্য এক বিরল মঞ্চ। “নলেজ নকআউট সিজন” শিক্ষার্থীদের কাছে শুধু প্রতিযোগিতা নয়, বরং জ্ঞান, দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাসের এক অনন্য উৎসব ।
৬) সাইকেল চালানোর প্রতিযোগিতা: শিক্ষার্থীরা ফিটনেস এবং খেলাধুলার বিষয়ে যাতে আরও সচেতন হয়ে ওঠে তার জন্য এই উদ্যোগ নেওয়া হয়। এতে কয়েকটি সাইজের বাইসাইকেল দেয়া হয় , যারা নির্ধারিত ছকের মধ্যে সঠিকভাবে বাইসাইকেল চালাতে পারেন, তারাই পুরস্কৃত হয়।
৭) Rhyme & Rhythm' প্রতিযোগিতা: শিক্ষার্থীদেরকে বয়স অনুযায়ী কয়েকটি গ্রুপে ভাগ করে একটি ছড়া বলা ও কবিতা আবৃত্তি করার প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয়।
৮) আজ রং-ই বলবে গল্প: শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা তুলে ধরার এক দুর্দান্ত প্রতিযোগিতা। ভিন্ন ভিন্ন বিভাগে একাধিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে শিক্ষার্থীরা ছবি আকার মাধ্যমে একটি ছোট্ট গল্প উপস্থাপন করবেন।
৯) নাটক প্রতিযোগিতা: একক বা দ্বৈত পারফরমেন্সে হাসি সুখ দুঃখ ইত্যাদি অনুভূতি ব্যক্ত করে বাংলা ছোট নাটিকা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।
১০) সংগীত প্রতিযোগিতা: লোকগীতি (বাউল, ভাটিয়ালি, ভাওয়াইয়া), রবীন্দ্রসংগীত, নজরুলগীতি, আধুনিক গান (পপ, রক, জ্যাজ), এবং ধর্মীয় গান (হামদ, নাত, কাওয়ালি, শ্যামা, কীর্তন,), সব ধরনের সংগীত পরিবেশন করা যাবে , তবে উক্ত গানে কি কথা বলা হয়েছে তা তাৎপর্য বা মাহাত্ম্য কি তা আগে বর্ণনা করতে হবে।
১১) নৃত্য প্রতিযোগিতা: ব্যালে, হিপ-হপ, জ্যাজ, ট্যাপ, সালসা ইত্যাদি ভিন্ন ভিন্ন শৈলীর নৃত্য থেকে শুরু করে আমাদের লোকনৃত্য পর্যন্ত সকল নৃত্যের সৃজনশীলতা উপলব্ধি ও আবেদন নিবেদন উপস্থাপনা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।
১২) গেমস জিমন্যাস্টিকস ওযোগাসন প্রতিযোগিতা: জিমন্যাস্টিকস প্রতিযোগিতা ও ব্যক্তিগত আর্টিস্টিক যোগাসন প্রতিযোগিতায়; একক ট্র্যাডিশনাল যোগাসন প্রতিযোগিতা; আর্টিস্টিক যোগাসনের দ্বৈত বিভাগে; দ্বৈত রিদমিক যোগাসন প্রতিযোগিতা; দ্বৈত রিদমিক যোগাসন প্রতিযোগিতা
অ্যাডভান্স লার্নিং (আরো বেশি কিছু বিস্তারিত পাঠ)
দ্বিতীয় ধাপঃ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য
এক বা একাধিক নৈতিকতার শিক্ষা, কিছু সাধারণ জ্ঞান, এক বা একাধিক গল্প, শেষে ছড়া, এভাবে সাপ্তাহিক বৈঠক পরিচালিত হবে।
১৫০ নৈতিকতা ধারাবাহিকভাবে অধ্যয়ন করবে।
সাধারণ জ্ঞান বাংলা র জন্য এখানে ক্লিক করুন
বাংলাদেশের জাতীয় ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সমূহ
ছড়া সংকলন-১, ছড়া সংকলন-২, ছড়া সংকলন-৩, ছড়া সংকলন-৪, ছড়া সংকলন-৫, ছড়া সংকলন-৬, ছড়া সংকলন-৭, ছড়া সংকলন-৮, ছড়া সংকলন-৯, ছড়া সংকলন-১০, ছড়া সংকলন-১১
গল্প সংকলন-১, গল্প সংকলন-২, গল্প সংকলন-৩, গল্প সংকলন-৪, গল্প সংকলন-৫, গল্প সংকলন-৬, গল্প সংকলন-৭, গল্প সংকলন-৮,
ইংরেজি গল্প সংকলন-১, ইংরেজি গল্প সংকলন-২, ইংরেজি গল্প সংকলন-৩, ইংরেজি গল্প সংকলন-৪,
দ্বিতীয় ধাপঃ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য
এক বা একাধিক নৈতিকতার শিক্ষা, কিছু সাধারণ জ্ঞান, মাসিক গ্যালারি থেকে কিছু তথ্য, ভিডিও এবং দিবসসমুহ নিয়ে আলোচনা, এভাবে বৈঠক পরিচালিত হবে।
১৫০ নৈতিকতা ধারাবাহিকভাবে অধ্যয়ন করবে।
কিছু সাধারণ জ্ঞান-১, কিছু সাধারণ জ্ঞান-২, কিছু সাধারণ জ্ঞান-৩, কিছু সাধারণ জ্ঞান-৪, কিছু সাধারণ জ্ঞান-৫, কিছু সাধারণ জ্ঞান-৬, কিছু সাধারণ জ্ঞান-৭
জ্ঞান চর্চা-১, জ্ঞান চর্চা-২, জ্ঞান চর্চা-৩, জ্ঞান চর্চা-৪, জ্ঞান চর্চা-৫, জ্ঞান চর্চা-৬, জ্ঞান চর্চা-৭, জ্ঞান চর্চা-৮, জ্ঞান চর্চা-৯, জ্ঞান চর্চা-১০, জ্ঞান চর্চা-১১,
স্টুডেন্ট গাইড লিংক- https://docs.google.com/document/d/1EhKT6RrFpbQdzEoHEgNsDAz6ZJ_YtwDN/edit?usp=sharing&ouid=114536250135766690136&rtpof=true&sd=true
স্টুডেন্ট গাইড পিডিএফ লিংক-https://drive.google.com/file/d/1yj1e3cbEWu7DhO-Asqu7SNv8KnHT2ips/view?usp=sharing
দ্বিতীয় ধাপঃ উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য
এক বা একাধিক নৈতিকতার শিক্ষা, কিছু সাধারণ জ্ঞান, মাসিক গ্যালারি থেকে কিছু তথ্য, ভিডিও এবং দিবসসমুহ নিয়ে আলোচনা, এভাবে বৈঠক পরিচালিত হবে।
১৫০ নৈতিকতা ধারাবাহিকভাবে অধ্যয়ন করবে।
কিছু সাধারণ জ্ঞান-১, কিছু সাধারণ জ্ঞান-২, কিছু সাধারণ জ্ঞান-৩, কিছু সাধারণ জ্ঞান-৪, কিছু সাধারণ জ্ঞান-৫, কিছু সাধারণ জ্ঞান-৬, কিছু সাধারণ জ্ঞান-৭
জ্ঞান চর্চা-১, জ্ঞান চর্চা-২, জ্ঞান চর্চা-৩, জ্ঞান চর্চা-৪, জ্ঞান চর্চা-৫, জ্ঞান চর্চা-৬, জ্ঞান চর্চা-৭, জ্ঞান চর্চা-৮, জ্ঞান চর্চা-৯, জ্ঞান চর্চা-১০, জ্ঞান চর্চা-১১,
ম্যাগনাম ওপাস লিংক-https://docs.google.com/document/d/1Qlxj54Z1UpbVGmOvo_CxiuTONZEJOZR-/edit?usp=sharing&ouid=114536250135766690136&rtpof=true&sd=true
দ্বিতীয় ধাপঃ মহাবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য
এক বা একাধিক নৈতিকতার শিক্ষা, কিছু সাধারণ জ্ঞান, মাসিক গ্যালারি থেকে কিছু তথ্য, ভিডিও এবং দিবসসমুহ নিয়ে আলোচনা, এভাবে বৈঠক পরিচালিত হবে।
১৫০ নৈতিকতা ধারাবাহিকভাবে অধ্যয়ন করবে।
কিছু সাধারণ জ্ঞান-১, কিছু সাধারণ জ্ঞান-২, কিছু সাধারণ জ্ঞান-৩, কিছু সাধারণ জ্ঞান-৪, কিছু সাধারণ জ্ঞান-৫, কিছু সাধারণ জ্ঞান-৬, কিছু সাধারণ জ্ঞান-৭
জ্ঞান চর্চা-১, জ্ঞান চর্চা-২, জ্ঞান চর্চা-৩, জ্ঞান চর্চা-৪, জ্ঞান চর্চা-৫, জ্ঞান চর্চা-৬, জ্ঞান চর্চা-৭, জ্ঞান চর্চা-৮, জ্ঞান চর্চা-৯, জ্ঞান চর্চা-১০, জ্ঞান চর্চা-১১,
ম্যাগনাম ওপাস লিংক- https://docs.google.com/document/d/1Qlxj54Z1UpbVGmOvo_CxiuTONZEJOZR-/edit?usp=sharing&ouid=114536250135766690136&rtpof=true&sd=true
দ্বিতীয় ধাপঃ বিশ্ব বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য
এক বা একাধিক নৈতিকতার শিক্ষা, কিছু সাধারণ জ্ঞান, মাসিক গ্যালারি থেকে কিছু তথ্য, ভিডিও এবং দিবসসমুহ নিয়ে আলোচনা, এভাবে বৈঠক পরিচালিত হবে।
১৫০ নৈতিকতা ধারাবাহিকভাবে অধ্যয়ন করবে।
কিছু সাধারণ জ্ঞান-১, কিছু সাধারণ জ্ঞান-২, কিছু সাধারণ জ্ঞান-৩, কিছু সাধারণ জ্ঞান-৪, কিছু সাধারণ জ্ঞান-৫, কিছু সাধারণ জ্ঞান-৬, কিছু সাধারণ জ্ঞান-৭
জ্ঞান চর্চা-১, জ্ঞান চর্চা-২, জ্ঞান চর্চা-৩, জ্ঞান চর্চা-৪, জ্ঞান চর্চা-৫, জ্ঞান চর্চা-৬, জ্ঞান চর্চা-৭, জ্ঞান চর্চা-৮, জ্ঞান চর্চা-৯, জ্ঞান চর্চা-১০, জ্ঞান চর্চা-১১,
তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম ধাপের জন্য এখানে ক্লিক করুন