ফিউচার একাডেমি
ফিউচার একাডেমি
এগুলো শিশুকে বকাঝকা করে নয়, বরং নিজের আচরণের মাধ্যমে দেখিয়ে, গল্প বলে এবং নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে শেখাতে হবে।
বাড়ি থেকে বের হবার সময় বাবা মাকে সালাম করা।বাড়িতে, স্কুলে কিংবা পরিচিত কারও সঙ্গে দেখা হলে সুন্দরভাবে সালাম বা শুভেচ্ছা জানাতে শেখা।
কেউ কোনো সাহায্য করলে বা কিছু দিলে ধন্যবাদ জানানো।
কোনো কিছু চাইলে ভদ্রভাবে বলা—“দয়া করে আমাকে পেন্সিলটি দেবে?”
ভুল করে কাউকে কষ্ট দিলে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করা।
কেউ কথা বলার সময় মাঝখানে বাধা না দিয়ে তার কথা শোনার চেষ্টা করা।
চিৎকার না করে শান্ত ও ভদ্র ভাষায় কথা বলা।
শিক্ষকের কথা মন দিয়ে শোনা এবং প্রয়োজনে ভদ্রভাবে প্রশ্ন করা।
বয়স্ক মানুষের সঙ্গে সম্মানজনকভাবে কথা বলা এবং প্রয়োজন হলে সাহায্য করা।
ছোট শিশুদের সঙ্গে কোমলভাবে আচরণ করা এবং তাদের প্রতি খেয়াল রাখা।
অন্যের খেলনা, বই বা পেন্সিল ব্যবহারের আগে অনুমতি চাওয়া।
খাওয়ার আগে, টয়লেট ব্যবহারের পরে এবং হাত ময়লা হলে সাবান দিয়ে হাত ধোয়া।
সকাল ও রাতে দাঁত পরিষ্কার করার অভ্যাস গড়ে তোলা।
নিজের পোশাক পরিচ্ছন্ন রাখা এবং ময়লা হলে বড়দের জানানো।
টিস্যু বা কনুইয়ের ভাঁজ দিয়ে মুখ-নাক ঢেকে রাখা এবং পরে হাত পরিষ্কার করা।
টয়লেট ব্যবহারের পরে সঠিকভাবে পরিষ্কার হওয়া, পোশাক ঠিক করা এবং হাত ধোয়া শেখা।
খাবার ধরার আগে হাত পরিষ্কার রাখা।
খাওয়ার সময় নিরাপদে বসে খাওয়া এবং খাবার মুখে নিয়ে দৌড়াদৌড়ি না করা।
খাবার খাওয়ার সময় মুখ বন্ধ রেখে চিবানোর অভ্যাস করা।
যতটুকু খেতে পারবে, প্রথমে ততটুকু নেওয়া। আরও লাগলে পরে নেওয়া।
যারা খাবার তৈরি করেছেন, তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা।
বন্ধুদের সঙ্গে পালা করে খেলনা ব্যবহার করা এবং প্রয়োজনে ভাগ করে নেওয়া।
খেলার সময় বা লাইনে দাঁড়িয়ে ধৈর্য ধরে নিজের পালার জন্য অপেক্ষা করা।
রাগ হলে মারধর না করে কথা দিয়ে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করা।
কেউ কাঁদলে বা মন খারাপ করলে তার পাশে দাঁড়ানো এবং প্রয়োজনে সাহায্য চাওয়া।
কারও চেহারা, কথা বলা, পোশাক বা ভুল নিয়ে হাসাহাসি না করা।
খেলা শেষে খেলনা, বই ও পেন্সিল নির্দিষ্ট জায়গায় রাখা।
কাগজ ও অন্যান্য আবর্জনা ডাস্টবিনে ফেলা।
ভুল করলেও সত্য বলা এবং প্রয়োজনে বড়দের সাহায্য চাওয়া।
রাস্তা পার হওয়ার সময় বড়দের হাত ধরা, অপরিচিত কারও সঙ্গে কোথাও না যাওয়া এবং বিপদে বিশ্বস্ত বড়দের জানানো।
নিজের শরীরের ব্যক্তিগত অংশ সম্পর্কে বয়সোপযোগী ধারণা দেওয়া, অনাকাঙ্ক্ষিত স্পর্শে 'না' বলতে শেখানো এবং কোনো কিছুতে অস্বস্তি হলে বিশ্বস্ত বড়কে জানাতে উৎসাহিত করা।
৩১. ডান হাতে খাবার খাওয়া: খাবার সময় সবসময় ডান হাত ব্যবহার করা এবং ছোট ছোট গ্রাসে খাওয়া।
৩২. খাবার অপচয় না করা: প্লেটে যতটুকু প্রয়োজন ঠিক ততটুকু খাবার নেওয়া এবং খাবার নষ্ট না করা।
৩৩. খাবারের শেষে শুকরিয়া আদায় করা: খাওয়া শেষ করে "আলহামদুলিল্লাহ" বা "ধন্যবাদ" বলা।
৩৪. খাওয়ার সময় কথা না বলা: মুখে খাবার থাকা অবস্থায় কথা না বলে মুখ বন্ধ করে চিবানো।
৩৫. পানি খাওয়ার পর গ্লাস রাখা: পানি খাওয়ার পর গ্লাস বা বোতল নির্দিষ্ট স্থানে নিরাপদে রেখে দেওয়া।
৩৬. রাতে ঘুমানোর আগে দোয়া বা শুভরাত্রি বলা: ঘুমাতে যাওয়ার আগে পরিবারের সবাইকে "শুভ রাত্রি" বা রাতের দোয়া বলা।
৩৭. নিজের বিছানা পরিপাটি রাখা: ঘুম থেকে উঠে নিজের বিছানার চাদর ও বালিশ ঠিকঠাক করতে সাহায্য করা।
৩৮. নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে যাওয়া: রাত জেগে না থেকে সঠিক সময়ে বিছানায় ঘুমাতে যাওয়া।
৩৯. বড়দের কথায় বাধা না দেওয়া: বড়রা যখন কথা বলবেন, তখন তাদের মাঝে না বলে তারা শেষ করা পর্যন্ত ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করা।
৪০. শান্ত ও মিষ্টি স্বরে কথা বলা: চিল্লাচিল্লি না করে নরম ও মিষ্টি গলায় সবার সাথে কথা বলা।
৪১. কাউকে উপহাস না করা: অন্য কারও শারীরিক গঠন, পোশাক বা দুর্বলতা নিয়ে উপহাস বা ঠাট্টা না করা।
৪২. কারো গোপনীয়তা রক্ষা করা: অন্যের ব্যক্তিগত ডায়েরি বা জিনিসপত্র অনুমতি ছাড়া না ঘাটা।
৪৩. মিথ্যে না বলা: সবসময় সত্য কথা বলা, এমনকি ভুল করলেও সত্যি স্বীকার করা।
৪৪. কাউকে খারাপ নামে না ডাকা: খেলার সাথী বা ভাই-বোনকে কোনো খারাপ বা কটূ নামে না ডাকা।
৪৫. ডাকলে সাথে সাথে সাড়া দেওয়া: মা-বাবা বা শিক্ষক ডাকলে মনোযোগ দিয়ে শোনা এবং "জি, আসছি" বলে সাড়া দেওয়া।
৪৬. সালাম বিনিময় করা: চেনা-পরিচিত কেউ বাসায় এলে বা বাইরে দেখা হলে হাসিমুখে সালাম বা নমস্কার দেওয়া।
৪৭. অতিথিকে আপ্যায়ন করা: বাসায় অতিথি এলে তাদের বসার জন্য আসন এগিয়ে দেওয়া এবং জল বা নাস্তা দিতে সাহায্য করা।
৪৮. ধৈর্য ধরে লাইনে দাঁড়ানো: কোনো কিছু নেওয়ার সময় বা খেলার সময় ধাক্কাধাক্কি না করে সিরিয়াল বা লাইনে দাঁড়ানো।
৪৯. কারো জিনিস নেওয়ার আগে অনুমতি নেওয়া: অন্যের পেন্সিল, রঙ বা খেলনা নেওয়ার আগে "এটি কি আমি একটু নিতে পারি?" বলে অনুমতি নেওয়া।
৫০. ব্যবহারের পর জিনিস ফেরত দেওয়া: অন্যের জিনিস ব্যবহার শেষে তা যত্নসহকারে যথাস্থানে ফিরিয়ে দেওয়া।
৫১. কারো জন্মদিনে বা খুশিতে শুভেচ্ছা জানানো: বন্ধু বা আত্মীয়দের আনন্দে তাদের শুভকামনা ও শুভেচ্ছা জানানো।
৫২. কারো ক্ষতি না করা: জেনে-বুঝে মানুষ বা কোনো পশুপাখির মনে কষ্ট না দেওয়া।
৫৩. অন্যের গোপন কথা না বলা: কারো ব্যক্তিগত গোপন কথা বা ঘরোয়া বিষয় অন্য কারও কাছে না বলা।
৫৪. সবাইকে সমান সম্মান করা: ধনী-দরিদ্র বা ছোট-বড় সবাইকে সমানভাবে সম্মান ও প্রীতি দেখানো।
৫৫. রাস্তায় ময়লা না ফেলা: হাঁটার সময় রাস্তায় বা খেলার মাঠে যত্রতত্র চিপসের প্যাকেট বা কাগজ না ফেলা।
৫৬. টয়লেট ব্যবহারের পর ফ্লাশ করা: বাথরুম বা টয়লেট ব্যবহারের পর নিয়মমতো জল ঢালা বা ফ্লাশ করা।
৫৭. নখ ছোট রাখা: হাতের ও পায়ের নখ বড় না করে নিয়মিত কেটে পরিষ্কার রাখা।
৫৮. পরিষ্কার পোশাক পরা: ময়লা বা দুর্গন্ধযুক্ত পোশাক পরিহার করে পরিষ্কার ও পরিপাটি জামাকাপড় পরা।
৫৯. নাক ঝাড়ার শিষ্টাচার: হাঁচি বা কাশি দেওয়ার সময় রুমাল বা হাত দিয়ে মুখ ও নাক ঢেকে রাখা।
৬০. গাছের পাতা বা ডাল না ভাঙা: বিনা প্রয়োজনে গাছের কচি পাতা, ফুল বা ডাল ছিঁড়ে গাছের ক্ষতি না করা।
৬১. পানির অপচয় রোধ করা: হাত ধোয়া বা ব্রাশ করার সময় কল বা ট্যাব অনর্থক খোলা না রেখে প্রয়োজন শেষে বন্ধ করা।
৬২. বিদ্যুৎ সাশ্রয় করা: ঘর থেকে বের হওয়ার সময় ফ্যান ও লাইটের সুইচ বন্ধ করে বের হওয়া।
৬৩. পশুপাখির প্রতি সদয় হওয়া: কুকুর, বিড়াল বা পাখির গায়ে পাথর না মেরে তাদের গায়ে হাত বুলিয়ে আদর করা।
৬৪. খেলনা গুছিয়ে রাখা: খেলাধুলা শেষে নিজের খেলনাগুলো নির্দিষ্ট ঝুড়ি বা বাক্সে গুছিয়ে রাখা।
৬৫. জুতো নির্দিষ্ট জায়গায় রাখা: বাইরে থেকে এসে জুতো বা স্যান্ডেল ছড়িয়ে না রেখে জুতোর তাকে সুন্দর করে রাখা।
৬৬. বইপত্র গুছিয়ে রাখা: পড়ার টেবিল বা স্কুল ব্যাগ নিজের বই-খাতা দিয়ে সুন্দর ও পরিপাটি রাখা।
৬৭. দরজা ধাক্কা না দিয়ে敲敲 করা: বন্ধ দরজায় ঢোকার আগে নক (Knock) করা বা অনুমতি নেওয়া।
৬৮. রাগ নিয়ন্ত্রণ করা: কোনো কিছু পছন্দ না হলে রেগে গিয়ে চিল্লাচিল্লি বা জিনিসপত্র ভাঙচুর না করা।
৬৯. নিজের কাজ নিজে করার চেষ্টা করা: নিজের জুতার ফিতে বাঁধা, ছোট বোতাম লাগানো বা নিজের প্লেট ধুতে সাহায্য করার চেষ্টা করা।
৭০. নিরাপত্তা বজায় রাখা: মা-বাবার হাত ধরে রাস্তা পার হওয়া এবং একা একা রান্নাঘর বা বারান্দার উঁচুতে না যাওয়া।
৭১. অপরিচিতদের থেকে দূরে থাকা: অপরিচিত কেউ খাবার বা লজেন্স দিলে তা না নেওয়া এবং সাথে সাথে মা-বাবাকে জানানো।
৭২. ধৈর্য ধারণ করা: কোনো খেলনা বা জিনিস পেতে হলে জেদ না ধরে শান্ত হয়ে অপেক্ষা করা।
৭৩. হাসিমুখে দিন শুরু করা: প্রতিদিন সকালে হাসিমুখে দিন শুরু করা এবং চারপাশের সবাইকে ভালোবেসে সাহায্য করা।