ফিউচার একাডেমি
ফিউচার একাডেমি
অভিনয়ের মাধ্যমে শেখানোর ১০০টি অতি ছোট গল্প
(৩-৫ বছর বয়সী শিশুদের জন্য)
কীভাবে ব্যবহার করবেন
● শিক্ষক গল্পটি ২-৩টি বাক্যে ধীরে ও অভিনয় করে পড়বেন।
● এরপর শিশুরা "অভিনয়" অংশের ভঙ্গি ও শব্দ নিজেরা করে দেখাবে — প্রতিটি গল্পে মাত্র ৩-৫ মিনিট।
● শেষে একটি প্রশ্ন করুন: "আমরা কী শিখলাম?" — এবং "শিক্ষা" অংশের বাক্যটি সবাই মিলে বলুন।
● একই গল্প কয়েকদিন পুনরাবৃত্তি করুন; ছোটদের কাছে পুনরাবৃত্তিই শেখার চাবিকাঠি।
১. হাত ধোয়ার জাদু
গল্প: খরগোশ টুনটুন কাদায় খেলে হাত না ধুয়েই খেতে বসল। একটু পরেই তার পেট ব্যথা শুরু হলো। মা বলল, "সাবান দিয়ে হাত ধুলে জীবাণু পালিয়ে যায়।"
অভিনয়: শিশুরা হাতে সাবান ঘষে ফেনা বানানোর ভঙ্গি করবে, তারপর "জীবাণু পালা!" বলে লাফিয়ে সরে যাবে।
শিক্ষা: খাওয়ার আগে হাত ধুই।
২. ভালুকের দাঁতব্যথা
গল্প: ভালুক ভোলা রোজ মধু খায় কিন্তু দাঁত মাজে না। একদিন দাঁতে ভীষণ ব্যথা হলো। ডাক্তার বলল, "সকালে আর রাতে ব্রাশ করো।"
অভিনয়: ব্রাশ করার ভঙ্গি আর "ঘষ ঘষ ঘষ" শব্দ; একজন ডাক্তার সাজবে।
শিক্ষা: প্রতিদিন দুবার দাঁত মাজি।
৩. জেগে থাকা বানর
গল্প: বানরছানা বাঁদু রাত জেগে খেলত, তাই সকালে ঘুমে ঢুলত। যেদিন সে তাড়াতাড়ি ঘুমাল, পরদিন সবার আগে স্কুলে পৌঁছাল।
অভিনয়: রাতে চোখ বুজে ঘুমের অভিনয়, সকালে মোরগের ডাকে "কুক্কুরুকু" বলে জেগে ওঠা।
শিক্ষা: সময়মতো ঘুমাই।
৪. গাজর খেয়ে শক্তি
গল্প: ছাগলছানা মিমি শুধু মিষ্টি খেত, তাই দৌড়ে হাঁপিয়ে যেত। গাজর আর পালংশাক খেয়ে পরের দৌড়ে সে প্রথম হলো।
অভিনয়: দুর্বল হয়ে ধীরে হাঁটা, তারপর সবজি খাওয়ার ভঙ্গি করে পেশি দেখিয়ে দৌড়ানো।
শিক্ষা: সবজি আমাদের শক্তি দেয়।
৫. তৃষ্ণার্ত হাতি
গল্প: হাতি গজু রোদে ঘুরে ঘুরে ক্লান্ত হলো, কিন্তু পানি খেল না। পাখি বন্ধু বলল, "আগে পানি খাও!" পানি খেয়ে সে আবার চাঙ্গা হয়ে উঠল।
অভিনয়: শুঁড় ঝুলিয়ে ক্লান্ত হাতির মতো হাঁটা, তারপর গ্লাসে পানি খাওয়ার ভঙ্গি।
শিক্ষা: খেলার পর পানি খাই।
৬. খেলনা কোথায়?
গল্প: কাঠবিড়ালি কুটকুট খেলনা ছড়িয়ে রাখত, দরকারের সময় খুঁজে পেত না। গুছিয়ে রাখার পর এক নিমেষে খুঁজে পেল।
অভিনয়: খোঁজার ভঙ্গি করে হতাশ হওয়া, তারপর খেলনা "ঝুড়িতে" তুলে রাখা।
শিক্ষা: খেলা শেষে জিনিস জায়গামতো রাখি।
৭. হাঁচিওয়ালা হাতি
গল্প: হাতির হাঁচিতে সবাই "ওরে বাবা!" বলে ছিটকে পড়ল, জীবাণু ছড়িয়ে গেল। এখন সে কনুইয়ের ভাঁজে মুখ ঢেকে হাঁচি দেয়।
অভিনয়: "হা-চ্ছো!" বলে কনুইয়ের ভাঁজে মুখ ঢাকা।
শিক্ষা: হাঁচি-কাশির সময় মুখ ঢাকি।
৮. ধীরে খাওয়া কচ্ছপ
গল্প: খরগোশ তাড়াহুড়ো করে গিলে খেয়ে বিষম খেল। কচ্ছপ ধীরে ধীরে চিবিয়ে খেল, তাই তার কিছুই হলো না।
অভিনয়: সবাই মিলে গুনে গুনে ১০ বার চিবানোর অভিনয়।
শিক্ষা: খাবার ভালো করে চিবিয়ে খাই।
৯. কাদাপ্রেমী শূকরছানা
গল্প: শূকরছানা পুতু কাদায় গড়াগড়ি দিতে ভালোবাসে, কিন্তু গায়ে চুলকানি হলো। গোসল করে পরিষ্কার হতেই সে আরাম পেল।
অভিনয়: কাদায় গড়ানোর ভান, তারপর গোসল করে "আহ্ আরাম!" বলা।
শিক্ষা: প্রতিদিন গোসল করে পরিষ্কার থাকি।
১০. আমি নিজে পারি
গল্প: ছোট্ট টুনি পাখি নিজে জুতা পরতে চাইত না। একদিন চেষ্টা করে পেরে গেল, আর গর্বে ডানা ঝাপটাল।
অভিনয়: জুতা পরার চেষ্টা, তারপর "পেরেছি!" বলে হাততালি।
শিক্ষা: নিজের কাজ নিজে করার চেষ্টা করি।
১১. জাদুর শব্দ
গল্প: জাদুকর বলল, "দুটি শব্দ বললেই দরজা খুলবে।" শিশু বলল, "দয়া করে" আর "ধন্যবাদ" — অমনি দরজা খুলে গেল!
অভিনয়: দরজার সামনে দাঁড়িয়ে শব্দ দুটি বলা; অন্যজন দরজা খোলার অভিনয় করবে।
শিক্ষা: "দয়া করে" আর "ধন্যবাদ" বলি।
১২. সুপ্রভাত সূর্য
গল্প: সূর্য মামা রোজ সবাইকে "সুপ্রভাত" বলে। যে শিশু হাসিমুখে সুপ্রভাত বলে, সূর্য তার দিকে উষ্ণ আলো ছড়িয়ে দেয়।
অভিনয়: সূর্যের মতো দুই হাত ছড়িয়ে সবাইকে শুভেচ্ছা জানানো।
শিক্ষা: সবাইকে হাসিমুখে অভিবাদন জানাই।
১৩. পিঁপড়ের সারি
গল্প: পিঁপড়েরা সারি বেঁধে চলে বলে কেউ ধাক্কা খায় না। একটি পিঁপড়ে লাইন ভেঙে ছুটতেই সবাই হুড়মুড় করে পড়ে গেল।
অভিনয়: একজনের পিছনে একজন সারি বেঁধে হাঁটা; লাইন ভাঙলে সবাই "ইশ্!" বলা।
শিক্ষা: লাইনে দাঁড়াই।
১৪. আমার পালা আসবে
গল্প: দোলনায় ওঠার জন্য বাঘছানা ঠেলাঠেলি করল, তাতে দোলনা আটকে গেল। লাইন করে পালা নিতেই সবাই একে একে দোল খেল।
অভিনয়: ঠেলাঠেলির ভান, তারপর শান্ত হয়ে সারিতে দাঁড়ানো ও পালা অনুযায়ী দোল খাওয়া।
শিক্ষা: অপেক্ষা করলে সবার পালা আসে।
১৫. মায়ের কথা শোনা হাঁসছানা
গল্প: মা বলেছিল, "পুকুরের গভীরে যেও না।" হাঁসছানা না শুনে গেল আর ভয় পেল। মা এসে তাকে কাছে তুলে নিল।
অভিনয়: "ছপ ছপ" সাঁতার কাটা, মা হাঁসের "ক্যাক ক্যাক" ডাক।
শিক্ষা: বড়দের নিষেধ শুনি, কারণ তাঁরা আমাদের ভালোবাসেন।
১৬. ভাঙা গ্লাস
গল্প: ভুল করে গ্লাস ভেঙে শিশু ভয়ে চুপ করে রইল। শেষে সত্যি কথা বলল; মা জড়িয়ে ধরে বলল, "সত্যি বলার জন্য ধন্যবাদ।"
অভিনয়: গ্লাস ফেলে দেওয়ার ভান করে "আমি ভেঙেছি" বলা।
শিক্ষা: সত্য বলি।
১৭. দুঃখিত-জাদু
গল্প: খেলতে গিয়ে বন্ধুকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিল। "দুঃখিত" বলে হাত ধরে তুলতেই বন্ধু হেসে ফেলল।
অভিনয়: আস্তে ধাক্কা দেওয়ার ভান, পড়ে যাওয়া, তারপর হাত ধরে তোলা।
শিক্ষা: ভুল করলে ক্ষমা চাই।
১৮. বন্ধুর বল
গল্প: বানর বাঁদু না বলে বন্ধুর বল নিয়ে গেল। বন্ধু কেঁদে ফেলল। বাঁদু বল ফিরিয়ে দিয়ে বলল, "চাইলে আমি অনুমতি নিতাম।"
অভিনয়: "আমি কি তোমার বলটা নিতে পারি?" বলে অনুমতি চাওয়ার অভিনয়।
শিক্ষা: অন্যের জিনিস নিতে হলে আগে অনুমতি চাই।
১৯. কথার মাঝখানে নয়
গল্প: ব্যাঙ ভ্যাবলা সবার কথার মাঝেই "ক্যারর ক্যারর" করত, তাই কেউ তার কথা শুনত না। অপেক্ষা করে নিজের পালায় বলতেই সবাই মন দিয়ে শুনল।
অভিনয়: হাত তুলে "আমি বলব" ইশারা করা, পালা এলে কথা বলা।
শিক্ষা: অন্যের কথা শেষ হলে আমি বলি।
২০. ফিসফিস ইঁদুর
গল্প: পাঠাগারে ইঁদুর টুক্কু জোরে কথা বলায় সবার পড়ায় অসুবিধা হলো। আস্তে ফিসফিস করে বলতেই সবাই হেসে ধন্যবাদ জানাল।
অভিনয়: ঠোঁটে আঙুল রেখে "চুপ" ইশারা, তারপর ফিসফিস করে কথা বলা।
শিক্ষা: ঘরের ভেতরে আস্তে কথা বলি।
২১. দুই কাঠবিড়ালি ও একটি বাদাম
গল্প: দুই কাঠবিড়ালির কাছে মাত্র একটা বাদাম। টানাটানিতে সেটা গড়িয়ে গর্তে পড়ে গেল। তখন তারা বুঝল, ভাগ করে নিলে দুজনেই খেতে পারত।
অভিনয়: প্রথমে টানাটানি, পরে বাদাম "ভেঙে" দুজনে ভাগ করে খাওয়ার অভিনয়।
শিক্ষা: ভাগ করে নিই।
২২. রাগী ড্রাগন
গল্প: ছোট্ট ড্রাগন রেগে গেলে আগুনের ঝলক ছুড়ত, বন্ধুরা ভয়ে পালাত। সে শিখল, রাগ এলে তিনবার গভীর শ্বাস নিতে হয়।
অভিনয়: নাক দিয়ে শ্বাস টেনে মুখ দিয়ে "ফুঁউউ" করে ছাড়া।
শিক্ষা: রাগ এলে গভীর শ্বাস নিই।
২৩. একা পেঙ্গুইন
গল্প: পেঙ্গুইন পিঙ্কু একা দাঁড়িয়ে ছিল। একজন এসে বলল, "আমার সাথে খেলবে?" দুজনে মিলে বরফে পিছলে খেলল।
অভিনয়: একা দাঁড়িয়ে থাকা, তারপর কারও কাছে গিয়ে "খেলবে?" বলা।
শিক্ষা: নতুন বন্ধুকে খেলতে ডাকি।
২৪. কান্নার পাখি
গল্প: কোকিলছানা পড়ে গিয়ে কাঁদছিল। বন্ধুরা কাছে এসে বলল, "ব্যথা পেয়েছ? আমরা আছি।"
অভিনয়: কান্নার ভান, কাঁধে হাত রেখে সান্ত্বনা দেওয়া।
শিক্ষা: কেউ কাঁদলে তার পাশে থাকি।
২৫. লাল ফুল আর নীল ফুল
গল্প: লাল ফুল ভাবল, নীল ফুলই বেশি সুন্দর। মালী হেসে বলল, "দুজনেই সুন্দর, তাই তো বাগান এত রঙিন।"
অভিনয়: ফুলের মতো দাঁড়িয়ে বাতাসে দোল খাওয়া।
শিক্ষা: অন্যের সাথে তুলনা না করে নিজেকে ভালোবাসি।
২৬. সবাই আলাদা
গল্প: জিরাফ লম্বা, খরগোশ ছোট। জিরাফ উঁচু ডাল থেকে পাতা পাড়ে, খরগোশ গর্তে ঢুকে গাজর আনে। দুজনেই একে অপরের বন্ধু।
অভিনয়: লম্বা হয়ে হাত তোলা, ছোট হয়ে বসে পড়া।
শিক্ষা: প্রত্যেকের নিজের মতো ক্ষমতা আছে।
২৭. হার-জিত
গল্প: দৌড়ে হেরে খরগোশ কাঁদল। বিজয়ীরা বলল, "ভালো খেলেছ, পরের বার আবার খেলব!" সে হেসে উঠল।
অভিনয়: দৌড় শেষে "ভালো খেলেছ" বলে হাত মেলানো।
শিক্ষা: হারলে মন খারাপ হয়, তবু আবার চেষ্টা করি।
২৮. মন খারাপ মেঘ
গল্প: মেঘ মনের কষ্ট জমিয়ে কালো আর ভারী হয়ে গেল। বৃষ্টি হয়ে কেঁদে নিতেই আকাশ হালকা হলো।
অভিনয়: কালো মেঘের মতো ভারী হয়ে দাঁড়ানো, তারপর "টুপটাপ" করে হালকা হওয়া।
শিক্ষা: মন খারাপ হলে মাকে বলি।
২৯. একসাথে টানি
গল্প: ছোট্ট পিঁপড়ে একা ভারী পাতা টানছিল, পারছিল না। বন্ধুদের ডাকতেই সবাই মিলে সহজে নিয়ে গেল।
অভিনয়: একা টানার কষ্ট, তারপর সবাই মিলে "হেঁইয়ো!" বলে টানা।
শিক্ষা: দরকার হলে সাহায্য চাই।
৩০. আমাকেও নাও
গল্প: নতুন শিশুটি দূরে দাঁড়িয়ে ছিল। খরগোশ বলল, "এসো, আমাদের দলে!" খেলাটা আরও মজার হয়ে উঠল।
অভিনয়: বৃত্তাকারে দাঁড়িয়ে সবাই হাত বাড়িয়ে নতুন বন্ধুকে ডাকা।
শিক্ষা: সবাইকে খেলায় নিই।
৩১. শেয়াল মামার মিষ্টি
গল্প: শেয়াল মামা মুরগিছানাকে মিষ্টি দেখিয়ে বলল, "আমার সাথে এসো।" মুরগিছানা বলল, "না, ধন্যবাদ" আর দৌড়ে মায়ের কাছে চলে গেল।
অভিনয়: "না, ধন্যবাদ" বলে মায়ের দিকে ছুটে যাওয়া।
শিক্ষা: অচেনা কারও সাথে যাই না, কারও কাছ থেকে কিছু নিই না।
৩২. লাল-হলুদ-সবুজ বাতি
গল্প: লাল বাতিতে থামো, হলুদে তৈরি হও, সবুজে বড়দের হাত ধরে রাস্তা পার হও।
অভিনয়: রঙিন কার্ড দেখে সবাই থামবে বা চলবে।
শিক্ষা: বড়দের হাত ধরে রাস্তা পার হই।
৩৩. গরম চা
গল্প: ছোট্ট ভালুক মায়ের গরম চায়ের কাপ ধরতে গিয়েছিল। মা সরিয়ে বলল, "গরম জিনিস ছুঁতে নেই।"
অভিনয়: "উহ্ গরম!" বলে হাত সরিয়ে নেওয়া।
শিক্ষা: গরম জিনিস আর আগুন ছুঁই না।
৩৪. হারিয়ে যাওয়া ছানা
গল্প: মেলায় ছানা হারিয়ে গেল। সে ছুটোছুটি না করে এক জায়গায় দাঁড়িয়ে রইল আর একজন দোকানিকে বলল, "আমি মাকে খুঁজছি।" একটু পরেই মা তাকে পেয়ে গেলেন।
অভিনয়: থেমে দাঁড়ানো, তারপর "আমি হারিয়ে গেছি, আমাকে সাহায্য করবেন?" বলা।
শিক্ষা: হারিয়ে গেলে এক জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকি ও সাহায্য চাই।
৩৫. আমার নাম, আমার মায়ের নাম
গল্প: ছোট্ট পরী নিজের নাম আর মায়ের ফোন নম্বর মুখস্থ রেখেছিল, তাই বিপদে সবাই তাকে সহজে সাহায্য করতে পারল।
অভিনয়: "আমার নাম..., আমার মায়ের নাম..." — সবাই মিলে বলা।
শিক্ষা: নিজের ও মা-বাবার নাম এবং ফোন নম্বর জানি।
৩৬. পানির ধারে
গল্প: হাঁসের পুকুর দেখে ছোট্ট খোকা দৌড়ে যেতে চাইল। "থামো!" — মা বললেন, "পানির কাছে বড়দের সাথে যেতে হয়।"
অভিনয়: পুকুরপাড়ে এসে "থামো" ইশারা, তারপর বড়র হাত ধরে হাঁটা।
শিক্ষা: বড়দের ছাড়া পানির কাছে যাই না।
৩৭. মিষ্টি ওষুধ?
গল্প: ভালুকছানা ওষুধের বোতল দেখে মিষ্টি ভেবে খেতে গেল। মা দৌড়ে এসে বললেন, "ওষুধ ডাক্তারের কথামতো বড়রা দেন।"
অভিনয়: বোতল দেখে "না, মাকে বলি" বলে মায়ের কাছে যাওয়া।
শিক্ষা: ওষুধ নিজে নিজে খাই না।
৩৮. আমার শরীর আমার
গল্প: ছোট্ট মিলি শিখল, তার শরীর তার নিজের। কেউ অস্বস্তিকরভাবে ছুঁলে সে জোরে বলবে, "না!" এবং মা-বাবা বা বিশ্বস্ত শিক্ষককে জানাবে।
অভিনয়: হাত তুলে "না, থামো!" বলা, তারপর বড় কারও কাছে ছুটে গিয়ে জানানো।
শিক্ষা: অস্বস্তি লাগলে "না" বলি এবং বড়কে জানাই।
৩৯. সিঁড়িতে সাবধান
গল্প: খরগোশ সিঁড়িতে দৌড়ে নামতে গিয়ে পড়ে গেল। কচ্ছপ রেলিং ধরে ধীরে নামল, তাই ব্যথা পেল না।
অভিনয়: রেলিং ধরার ভঙ্গি করে ধীরে ধীরে উঠা-নামা।
শিক্ষা: সিঁড়িতে ধীরে চলি।
৪০. গাড়িতে নিরাপদে
গল্প: বাঘছানা গাড়িতে লাফালাফি করছিল, হঠাৎ ব্রেক কষতেই ধাক্কা খেল। বসে থাকলে আর সম্ভব হলে সিটবেল্ট বাঁধলে সে নিরাপদ।
অভিনয়: "ক্লিক!" শব্দ করে বেল্ট বাঁধা, "ব্রেক!" বলে স্থির হয়ে বসা।
শিক্ষা: গাড়ি ও রিকশায় স্থির হয়ে বসি।
৪১. গাছের তৃষ্ণা
গল্প: চারাগাছ পানি না পেয়ে ঝিমিয়ে পড়ল। শিশুটি পানি দিতেই সে আবার সবুজ হয়ে মাথা তুলল।
অভিনয়: গাছ হয়ে ঝুঁকে থাকা, পানি পেয়ে সোজা হয়ে দাঁড়ানো।
শিক্ষা: গাছের যত্ন নিই।
৪২. ময়লা ঝুড়িতে
গল্প: চকলেটের মোড়ক মাটিতে ফেলতেই মাছি এল, দুর্গন্ধ ছড়াল। ঝুড়িতে ফেলতেই পার্ক আবার সুন্দর হলো।
অভিনয়: মোড়ক "ঝপ" করে ঝুড়িতে ফেলে "বাহ্, পরিষ্কার!" বলা।
শিক্ষা: ময়লা ঝুড়িতে ফেলি।
৪৩. কাঁদা কল
গল্প: খোলা কল থেকে "টুপ টুপ" পানি পড়ে যাচ্ছিল, যেন কল কাঁদছে। শিশু কল বন্ধ করতেই কল হেসে উঠল।
অভিনয়: "টুপ টুপ" শব্দ করে কাঁদা, তারপর "কট" করে কল বন্ধ করা।
শিক্ষা: কাজ শেষে কল বন্ধ করি, পানি বাঁচাই।
৪৪. ক্ষুধার্ত চড়ুই
গল্প: শীতের দিনে চড়ুই খাবার পাচ্ছিল না। শিশুটি জানালার পাশে দানা ছিটিয়ে দিতেই চড়ুই খুশিতে কিচিরমিচির করল।
অভিনয়: দানা ছড়ানোর ভঙ্গি, পাখি হয়ে ঠোকরানো আর "কিচিরমিচির"।
শিক্ষা: পাখি ও প্রাণীর প্রতি দয়া করি।
৪৫. কচ্ছপ ও খরগোশ
গল্প: খরগোশ দৌড়ে এগিয়ে গিয়ে ঘুমিয়ে পড়ল। কচ্ছপ থামল না, ধীরে ধীরে এগিয়ে জিতে গেল।
অভিনয়: একজন ধীরে ধীরে হাঁটবে, অন্যজন দৌড়ে এসে ঘুমিয়ে পড়বে।
শিক্ষা: ধৈর্য ধরে চেষ্টা করলে জেতা যায়।
৪৬. ছোট্ট নৌকা
গল্প: ছোট্ট নৌকা ঢেউ দেখে ভাবল, "আমি পারব না।" তারপর বলল, "আমি পারব!" — আর ঢেউ পেরিয়ে ওপারে পৌঁছাল।
অভিনয়: দুলে দুলে "আমি পারব, আমি পারব" বলে এগোনো।
শিক্ষা: সহজে হাল ছাড়ি না।
৪৭. সাইকেল শেখা
গল্প: মিঠু সাইকেল থেকে পড়ে গেল, ব্যথাও পেল। তবু ঝেড়ে উঠে বলল, "আবার!" শেষে সে সাইকেল চালিয়ে ফেলল।
অভিনয়: পড়ে যাওয়া, ধুলো ঝাড়া, "আবার!" বলে উঠে দাঁড়ানো।
শিক্ষা: পড়ে গেলে আবার চেষ্টা করি।
৪৮. রাতের তারা
গল্প: অন্ধকারে ভয় পেয়ে খরগোশ মাকে ডাকল। মা বললেন, "দেখো, আকাশে কত তারা! আমি তো তোমার পাশেই আছি।"
অভিনয়: দুই হাতের আঙুল ঝিকমিক করে তারা বানানো।
শিক্ষা: ভয় লাগলে মাকে বলি।
৪৯. অচেনা ফল
গল্প: ছোট্ট ভালুক নতুন ফল দেখে নাক কুঁচকে "না" বলল। একটুখানি চেখে দেখেই বলল, "বাহ্, কী মিষ্টি!"
অভিনয়: নাক কুঁচকানো, তারপর চেখে "বাহ্!" বলা।
শিক্ষা: নতুন খাবার একবার চেখে দেখি।
৫০. সবার কাজ দামি
গল্প: ডাক্তার অসুস্থকে সারান, মালী গাছ লাগান, ঝাড়ুদার রাস্তা পরিষ্কার করেন, শিক্ষক পড়ান। সবাই মিলে আমাদের দিন সুন্দর করেন। শিশুটি সবাইকে বলল, "ধন্যবাদ!"
অভিনয়: একেকজন একেক পেশার অভিনয় করবে, বাকিরা "ধন্যবাদ" বলবে।
শিক্ষা: সব কাজকে সম্মান করি।
৫১. সৎ রাখাল: রাখাল মিথ্যে বলে চিৎকার করল "বাঘ এলো!" সবাই দৌড়ে এল। রাখাল হাসল। একদিন সত্যি সত্যি বাঘ এল, কেউ আর সাহায্য করতে এল না। (অভিনয়: প্রথমে ভয়ের অভিনয় করুন, তারপর অনুতপ্ত হওয়ার ভঙ্গি দেখান।)
৫২. সোনার কুড়াল: কাঠুরের হাত থেকে কুড়াল নদীতে পড়ে গেল। দেবতা এসে সোনার কুড়াল দিলে কাঠুরে সততার সাথে নিজের লোহার কুড়ালটি চাইল। (অভিনয়: নদীর জলে কুড়াল ফেলার ও কান্না করার ভঙ্গি করুন।)
৫৩. মিথ্যে কথা ও জিভ: মিতু ছোট একটা মিথ্যে বলল, আর অমনি তার নাকটা লম্বা হয়ে যাওয়ার ভান করল (পিনেকিও স্টাইল)। (অভিনয়: নাক লম্বা করার অভিনয় করে হাসুন।)
৫৪. পাওয়া খাতা: ক্লাসে কুড়িয়ে পাওয়া একটা সুন্দর রঙের খাতা প্রিন্স নিজের ব্যাগে না রেখে শিক্ষককে ফিরিয়ে দিল। (অভিনয়: খাতা কুড়িয়ে পাওয়ার ও সেটি বাড়িয়ে দেওয়ার অভিনয় করুন।)
৫৫. পচা আম: ঝুড়িতে একটা পচা আম ছিল, রবিন সেটা সবার নিচে লুকিয়ে রাখল। মা তা ধরে ফেললেন এবং বললেন সততাই সেরা। (অভিনয়: লুকিয়ে ফেলার চোর পুলিশ ভঙ্গি করুন।)
৫৬. চকোলেটের ভাগ: ছোট্ট টিপু তার একটা মাত্র চকোলেট দিপুকে অর্ধেক ভেঙে দিল। দুজনে একসাথে খেয়ে খুব খুশি হলো। (অভিনয়: চকোলেট ভেঙে ভাগ করে দেওয়ার মিষ্টি ভঙ্গি করুন।)
৫৭. একসাথে খেলনা: রিয়া তার প্রিয় পুতুল কাউকে দিত না। একদিন সবাই তার সাথে খেলা বন্ধ করে দিল। রিয়া বুঝল ভাগ করে খেলাই আনন্দ। (অভিনয়: একা একা মন খারাপ করে বসে থাকার অভিনয় করুন।)
৫৮. সাহায্যের হাত: হাঁটতে গিয়ে নীলু পড়ে গেল। ঝন্টু দৌড়ে এসে তার হাত ধরে তুলে দিল। (অভিনয়: পড়ে যাওয়ার ও হাত ধরে তোলার অভিনয়।)
৫৯. পেন্সিল ধার দেওয়া: রূপার পেন্সিল হারিয়ে গেছে দেখে মিতা নিজের কালার পেন্সিল থেকে একটা তাকে দিয়ে দিল। (অভিনয়: পেন্সিল বাড়িয়ে দেওয়ার ভঙ্গি।)
৬০. ভাঙ্গা বিস্কুট: টুনটুনি তার বড় বিস্কুটটি ছোট্ট পিঁপড়েকে এক টুকরো খেতে দিল। পিঁপড়ে খুব খুশি হলো। (অভিনয়: পিঁপড়ের মতো ছোট করে হাঁটার ও কুঁকড়ে যাওয়ার অভিনয়।)
৬১. অবাধ্য ছানা: ছোট্ট হাঁসের ছানা মাকে না বলে পুকুরের গভীরে চলে গেল এবং ভয় পেল। মা এসে বাঁচালেন। (অভিনয়: হাঁসের মতো প্যাক প্যাক করে হাঁটার ও ভয়ের অভিনয়।)
৬২. সকালে ঘুম থেকে ওঠা: সূর্য ওঠার সাথে সাথে ঘুম থেকে জেগে উঠব, অলসতা করব না—এই প্রতিজ্ঞা টমির। (অভিনয় মোচড় দিয়ে ঘুম থেকে ওঠার ও হাই তোলার ভঙ্গি।)
৬৩. হাত ধোয়া: বাইরে থেকে এসে হাত না ধুয়ে খেতে বসলে পেটে ব্যথা হয়। টনি দৌড়ে সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে এল। (অভিনয়: হাতে সাবান মেখে ধোয়ার অভিনয়।)
৬৪. খেলনা গোছানো: খেলা শেষে খেলনাগুলো বাক্সে না রেখে বিছানায় ফেলে রাখায় নিজেই তার ওপর পা দিয়ে ব্যথা পেল রনি। (অভিনয়: পায়ে ব্যথা পাওয়ার মজার অভিনয়।)
৬৫. রাস্তা পারাপার: হাত ধরে সাবধানে রাস্তা পার হতে হয়, একা দৌড়াতে নেই। মিতু শক্ত করে বাবার আঙুল ধরে পার হলো। (অভিনয়: ডানে-বামে তাকিয়ে সাবধানে রাস্তা পার হওয়ার ভঙ্গি।)
৬৬. পিপড়ে ও মিষ্টি: ছোট্ট পিপড়েটি বারবার পাহাড়ের ওপর থেকে মিষ্টির টুকরোটি নিয়ে পড়ে যাচ্ছিল, কিন্তু সে হার মানল না। শেষে সফল হলো। (অভিনয়: ভারী জিনিস ঠেলে ওপরে ওঠার অভিনয়।)
৬৭. কচ্ছপের জয়: খরগোশ দৌড়ের মাঝে ঘুমিয়ে পড়ল, আর ধীরে চলা কচ্ছপ ঠিক সময়মতো ফিনিশ লাইনে পৌঁছে গেল। (অভিনয়: খরগোশের মতো লাফিয়ে চলা এবং কচ্ছপের মতো ধীরেসুস্থে হাঁটার অভিনয়।)
৬৮. কাক ও কলসি: কাক জলের তৃষ্ণায় মরছিল, সে কলসিতে একটা একটা করে পাথর ফেলে জল ওপরে তুলল। (অভিনয়: কাকের মতো চঞ্চু দিয়ে পাথর কুড়িয়ে কলসিতে ফেলার ভঙ্গি।)
৬৯. গাছ লাগানো: ছোট্ট টুবাই প্রতিদিন গাছের গোড়ায় এক ফোঁটা করে জল দিত, আজ গাছটি ফুলে ভরে গেছে। (অভিনয়: গাছের চারাকে জল দেওয়ার সুন্দর অভিনয়।)
৭০. পেন্সিল দিয়ে আঁকা: আঁকতে গিয়ে ভুল হলে রাবার দিয়ে মুছে আবার সুন্দর করে আঁকা যায়। মন খারাপ করতে নেই। (অভিনয়: রাবার দিয়ে মুছে ফেলার ভঙ্গি।)
৭১. আহত পাখি: মাটিতে পড়ে থাকা আহত চড়ুই পাখিটার ডানায় বুবু ওষুধ লাগিয়ে দিল, পাখিটা সুস্থ হয়ে উড়ে গেল। (অভিনয়: হাতে পাখি ধরে সেবা করার এবং আকাশে ওড়ার ভঙ্গি।)
৭২. জলতেষ্টা কুকুর: রোদের মধ্যে একটা কুকুর হাঁপাচ্ছিল, রবিন তার সামনে এক বাটি জল এগিয়ে দিল। (অভিনয়: জিভ বের করে হাঁপানোর ও জল খাওয়ার অভিনয়।)
৭৩. গাছের কান্না: একটা ছেলে ডাল ভেঙে ফেলছিল, গাছ কেঁদে উঠল। ছেলেটি বুঝতে পেরে আর ডাল ভাঙল না। (অভিনয়: গাছের পাতার মতো দুলে ওঠার ও কান্নার ভঙ্গি।)
৭৪. শীতের চড়ুই: শীতের সকালে বারান্দায় কিছু চালের দানা ছড়িয়ে দিল মিতু, অনেকগুলো পাখি এসে খেল। (অভিনয়: হাতে করে দানা ছিটিয়ে দেওয়ার ভঙ্গি।)
৭৫. কান্না করা বন্ধু: ক্লাসে নতুন আসা বনী একা বসে কাঁদছিল, পপী তার পাশে গিয়ে হাত ধরে বন্ধু হতে চাইল। (অভিনয়: চোখের জল মোছানোর ও হাত মেলানোর অভিনয়।)
৭৬. ব্রাশ করা: রাতে ঘুমানোর আগে এবং সকালে ঘুম থেকে উঠে দাঁত মাজলে দাঁত সুন্দর ও সাদা থাকে। (অভিনয়: ব্রাশ দিয়ে দাঁত মাজার মজার অভিনয়।)
৭৭. নখ কাটা: বড় নখে ময়লা জমে অসুখ হয়, তাই আম্মু আদরে আদরে ছোটর নখ কেটে দিলেন। (অভিনয়: নখ কাটার শব্দের মতো অঙ্গভঙ্গি।)
৭৮. জাংক ফুড ও ফল: পিজ্জা-বার্গার পেটে ব্যথা করায় রুমু আপেল ও কলা খেল, শরীর চনমনে হয়ে গেল। (অভিনয়: পেটে হাত দিয়ে ব্যথার ভঙ্গি ও ফল খেয়ে খুশি হওয়ার ভঙ্গি।)
৭৯. স্নানের ভয়: জলে নামতে রিমু ভয় পেত, সাবানের ফেনার সাথে খেলতে খেলতে এখন সে জলে ডুব দিতে ভালোবাসে। (অভিনয়: গায়ে জল ঢালার ও ফেনা নিয়ে খেলার ভঙ্গি।)
৮০. হাঁচির শিষ্টাচার: হাঁচি দেওয়ার সময় মুখে রুমাল বা হাত দিতে হয়, যাতে জীবাণু না ছড়ায়। (অভিনয়: মুখে হাত দিয়ে 'আচ্চু' বলে হাঁচির ভঙ্গি।)
৮১. ধন্যবাদ ও প্লিজ: কথা বলার সময় "প্লিজ" আর "ধন্যবাদ" বললে সবাই খুব ভালোবাসে। (অভিনয়: হাত জোড় করে হাসিমুখে ধন্যবাদ জানানোর ভঙ্গি।)
৮২. রাগের ভূত: ববি রেগে গিয়ে খেলনা ছুড়ে মারল, কিন্তু পরে তার নিজেরই খুব কষ্ট হলো। সে শিখল রাগ কমাতে গভীর শ্বাস নিতে হয়। (অভিনয়: রাগে মুখ ফুলিয়ে ফুস করে শ্বাস ছাড়ার অভিনয়।)
৮৩. সরি বলা: ভুল করে মিতার পায়ে পা লেগে যাওয়ায় পলু সাথে সাথে "সরি" বলে জড়িয়ে ধরল। (অভিনয়: কান ধরে বা হাসিমুখে সরি বলে জড়িয়ে ধরার ভঙ্গি।)
৮৪. ধৈর্য ধরা: দোকানে খেলনা কেনার জন্য মা যখন লাইনে দাঁড়াতে বললেন, পিন্টু শান্ত হয়ে ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করল। (অভিনয়: লাইনে চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকার ভঙ্গি।)
৮৫. বড়দের সম্মান: ঘরে কেউ এলে সালাম বা নমস্কার দিয়ে বসার আসন দিতে হয়। (অভিনয়: হাত জোড় করে বা সম্মান জানিয়ে নমস্কার/সালামের ভঙ্গি।)
৮৬. আগুন থেকে দূরে: রান্নাঘরে মা কাজ করার সময় চুলায় হাত দিতে নেই, এতে হাত পুড়ে যেতে পারে। (অভিনয়: গরম দেখে হাত পেছনের দিকে সরিয়ে নেওয়ার ভঙ্গি।)
৮৭. অপরিচিত মানুষ: রাস্তায় অচেনা কেউ লজেন্স বা চকোলেট দিলে তা নিতে নেই ও খেতে নেই। (অভিনয়: মাথা নেড়ে 'না' বলার ভঙ্গি।)
৮৮. কাঁচি ও ছুরি: ব্লেড বা কাঁচি দিয়ে খেলতে নেই, এগুলো দিয়ে আঙুল কেটে রক্ত বের হতে পারে। (অভিনয়: সাবধানে হাত দূরে রাখার ভঙ্গি।)
৮৯. উঁচু জায়গা: ছাদের কার্নিশ বা ব্যালকনির জানালায় উঠে উঁকি দিতে নেই, পড়ে যাওয়ার ভয় থাকে। (অভিনয়: ভয়ে মাথা ঘুরে যাওয়ার অভিনয়।)
৯০. বিদ্যুতের সুইচ: ভেজা হাতে বা প্লাগে কখনো সুইচ অন করতে নেই, শক লাগতে পারে। (অভিনয়: চমকে দূরে সরে যাওয়ার ভঙ্গি।)
৯১. ফুল ছেঁড়ো না: বাগানের সুন্দর ফুল গাছেই ভালো দেখায়, ফুল ছিঁড়ে ফেললে তার কষ্ট হয়। (অভিনয়: গাছে ফুল ছোঁয়া ও না ছেঁড়ার ভঙ্গি।)
৯২. জল অপচয়: কল ছেড়ে রেখে ব্রাশ করার সময় টুনটুনি দেখল সব জল গড়িয়ে পড়ে যাচ্ছে, সে দ্রুত কল বন্ধ করে দিল। (অভিনয়: কল বন্ধ করার অভিনয়।)
৯৩. প্লাস্টিক বর্জন: মাঠে প্লাস্টিকের প্যাকেট ফেলে রাখলে মাটি নষ্ট হয়, তাই ময়লা সবসময় ঝুড়িতে ফেলতে হয়। (অভিনয়: ময়লা কুড়িয়ে ঝুড়িতে ফেলার ভঙ্গি।)
৯৪. রোদ ও ছাতা: রোদের দিনে ছাতা মাথায় দিয়ে হাঁটলে মাথা ঠান্ডা থাকে। (অভিনয়: মাথার ওপরে ছাতা ধরার অভিনয়।)
৯৫. বৃষ্টির জল: টিনের চালে বৃষ্টির ফোঁটা পড়ার শব্দ শুনে ছোট্ট ময়ূর পেখম মেলে নাচতে শুরু করল। (অভিনয়: ময়ূরের মতো দুহাত প্রসারিত করে নাচার ভঙ্গি।)
৯৬. আমি পারি: জুতার ফিতে বাঁধতে প্রথমবার রনির কষ্ট হচ্ছিল, বারবার চেষ্টা করে সে নিজেই ফিতে বাঁধল। (অভিনয়: বসে জুতার ফিতে বাঁধার ও সফল হয়ে হাত তালি দেওয়ার ভঙ্গি।)
৯৭. শেয়ার করে খাওয়া: টিফিনের টিফিনবক্স থেকে সবাই মিলে একসাথে খাবার খেলে খাওয়ার আনন্দ বেড়ে যায়। (@অভিনয়: সবাইকে খাবার বাড়িয়ে দেওয়ার ভঙ্গি।)
৯৮. ঘুমানোর আগে গোছগাছ: রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে নিজের বই ও খেলনা গুছিয়ে রেখে ঘুমাতে যাওয়া ভালো অভ্যাস। (অভিনয়: বই গুছিয়ে বিছানায় ঘুমানোর ভঙ্গি।)
৯৯. সকালের ব্যায়াম: সকালে উঠে হাত-পা ছড়িয়ে একটু নড়াচড়া করলে শরীর সারাদিন চাঙ্গা থাকে। (অভিনয়: পিটি বা ব্যায়াম করার ভঙ্গি।)
১০০. হাসিমুখ: সবসময় মুখে মিষ্টি হাসি রাখলে চারপাশের সবাই ভালোবাসে এবং পৃথিবীটা সুন্দর লাগে। (অভিনয়: সুন্দর ও মিষ্টি করে হাসার ভঙ্গি।)